চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার একটি গ্রামীণ সড়কে গণডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাতদলের হামলায় আট পথযাত্রী আহত হয়েছেন।
বুধবার রাত পৌনে নয়টার দিকে উপজেলার গুপ্ত পীরের মাজারের কাছে সন্তোষপুর-আন্দুলবাড়িয়া সড়কে পরিত্যক্ত একটি বৈদ্যুতিক খুঁটি ফেলে ব্যারিকেট দেয় ডাকাতদল। তারা মোবাইল সেটসহ ১০ লক্ষাধিক টাকা লুটে নেয় যাত্রীদের কাছ থেকে। এ সময় ডাকাতদলের মারপিটে আটজন পথযাত্রী আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়েছে। টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ডাকাতদল পালিয়ে যায়।
ডাকাতের ছুরিকাঘাতে আহত এসিআই কোম্পানির রিজিওনাল ম্যানেজার জাকির হোসেন জানান, রাত পৌনে নয়টায় প্রাইভেটকারে করে আন্দুলবাড়িয়া বাজারে যাওয়ার সময় তিনি ডাকাতদলের ব্যারিকেডের মধ্যে পড়েন। এ সময় আগ্নেয়াস্ত্র, বোমা ও দেশীয় অস্ত্র হাতে থাকা ২০/২২ জনের সশস্ত্র ডাকাতদল তার প্রাইভেটকারটিসহ চারটি ট্রাক, তিনটি মিশুক, তিনটি মোটরসাইকেল ও চারটি বাইসাইকেল আটক করে যাত্রীদের কাছ থেকে মোবাইল ফোনসহ মালামাল ছিনিয়ে নেয়। এ সময় এসিআই কোম্পানির প্রাইভেটকার ও দুটি ট্রাক ভাঙচুর করে ডাকাতদল।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, ডাকাত দলের ছুরিকাঘাতে জাকির হোসেন (৪৪), লিটন (৩৫), সাইদুর রহমান (৫০), চঞ্চল (২৭), রাহুল (২৬), কামরুল ইসলাম (২২), ইনামুল হক (২২) ও অভি সরকার (২৪) আহত হয়ে চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
এদিকে আহতরা শাহাপুর ফাঁড়ির টহল পুলিশের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে গাফিলতির অভিযোগ এনে বলেছেন, ঘটনার সময় পুলিশ সদস্যরা সড়কে টহল না দিয়ে সন্তোষপুর মোড়ের একটি চায়ের দোকানে বসে টেলিভিশন দেখছিলেন।
জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) গোলাম মোহাম্মদ জানান, খবর পেয়ে দ্রুত টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে গেছে এবং ডাকাতদলের সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযানে নেমেছে।