কিশোরগঞ্জ নির্বাচন অফিসারের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসারের বিরুদ্ধে ৭ মে অনুষ্ঠিত চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
 
জানা গেছে, ওইদিন উপজেলার নয়টি ইউনিয়নের ৮২টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হয়। প্রতিটি কেন্দ্রে একজন প্রিজাইডিং অফিসার, পুলিং অফিসার ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ মোট ২০ জন করে লোক নিয়োগ দেয়া হয়। এসব লোককে কেন্দ্রে যাতায়াতের জন্য খরচ বাবদ বরাদ্দ ধরা হয় দুই হাজার টাকা। কিন্তু নির্বাচন অফিসার মনোয়ার হোসেন বরাদ্দকৃত টাকা না দিয়ে থানার রিকুজিশন করা গাড়িতে তাদের আনা নেয়া করে বরাদ্দকৃত এক লাখ ৬৪ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন।
 
প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালনকারী দক্ষিণ দুড়াকুটি একরামিয়া দাখিল মাদরাসার ৩১ নম্বর কেন্দ্রের প্রভাষক জুলফিকার আলী ভুট্টু বলেন, ‘কেন্দ্রে যাতায়াতের জন্য কোন বরাদ্দ ছিল কিনা জানি না। তবে আমাদেরকে থানার রিকুজিশন করা গাড়িতে আনা নেয়া করা হয়েছে। রনচন্ডী স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক ও কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৪ নম্বর কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মুকুল হোসেন একই কথা বলেন।
 
এছাড়াও কিশোরীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের শরীর চর্চা শিক্ষক মোশারফ হোসেন নির্বাচন অফিসার মনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে প্রিজাইডিং ও পুলিং অফিসার নিয়োগের নানা অনিয়ম তুলে ধরে বলেন, ‘গত উপজেলা নির্বাচনে আমি প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেছিলাম কিন্তু ৭ মে এর ইউপি নির্বাচনে আমাকে পুলিং অফিসারের দায়িত্ব দেয়া হয়। এতে  আমি অনেকটা বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছিলাম।’
 
এ অনিয়মের ব্যাপারে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার মনোয়ার হোসেন বলেন, ‘নির্বাচনে অনেক খরচ থাকে। যে অভিযোগ করেছে তাকে পাঠিয়ে দেন আমার পকেট থেকে টাকা দিয়ে দেব।’