পুঁজিবাজারে লেনদেন তলানিতে নেমে এসেছে। রবিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন শেষ পর্যন্ত আড়াইশ কোটি টাকায় নেমে আসে যা গত ছয় মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে গত বছর ১৫ নভেম্বর ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২২১ কোটি টাকা।
রবিবার ডিএসইতে লেনদেন হয় ২৫৮ কোটি টাকার শেয়ার যা আগের কর্ম দিবসের চেয়ে ৫৩ কোটি টাকা কম। এদিকে লেনদেন কমার পাশাপাশি সূচকও অনেক কমেছে। এ নিয়ে টানা তিন কর্ম দিবস ডিএসইর সার্বিক মূল্য সূচক কমল।
রবিবার ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ২৩ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ২৭৫ পয়েন্টে দাঁড়ায়। আর ডিএস-৩০ সূচক কমেছে ৭ পয়েন্ট। এর আগে বুধবার ডিএসইএক্স কমেছিল ১১ পয়েন্ট। আর বৃহস্পতিবার কমেছিল ১৯ পয়েন্ট।
রবিবার ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে লিন্ডে বাংলাদেশের শেয়ার। এ কোম্পানির ১৮ কোটি ৩৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনের দ্বিতীয় স্থানে থাকা ডরিন পাওয়ারের ১২ কোটি ৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১০ কোটি ৫৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইউনাইটেড পাওয়ার। লেনদেনে এরপর রয়েছে বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেম, এমজেএলবিডি, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, বিএসআরএম লিমিটেড, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, ফারইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডাইং, স্কয়ার ফার্মা।
এদিকে দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) রবিবার সার্বিক মূল্য সূচক সিএসসিএক্স মূল্যসূচক ৩৮ পয়েন্ট কমে ৮ হাজার ৪ পয়েন্টে দাঁড়ায়। এ বাজারেও টানা তিন কর্ম দিবস ধরে সার্বিক মূল্য সূচক কমলো।