মোহামেডানের জয়রথ থামালো দোলেশ্বর

ডিপিএলে টানা চার জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থানে পৌঁছে গিয়েছিল মোহামেডান। সোমবার তাদের জয়রথ থামালো প্রাইম দোলেশ্বর। মিরপুরে মূলত ইমতিয়াজ আহমেদের ৮৮ রানের ওপর ভর করে সপ্তম রাউন্ডের খেলায় মোহামেডানকে ৬ উইকেটে হারায় প্রাইম দোলেশ্বর।
 
এই জয়ে প্রাইম দোলেশ্বরের জমা হয়েছে ১০ পয়েন্ট। এতে মোহামেডানের সঙ্গে ১০ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থান ফিরে পেয়েছে দলটি। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামা মোহামেডানের শুরুটা হয়েছে দুঃস্বপ্নের মতো। দলীয় ৫ রানেই দুই ওপেনার এজাজ আহমেদ ও নাজিমউদ্দিন সাজঘরে ফিরে যান। দুই ওভার পর আরও বড় আঘাত মোহামেডান শিবিরে। শুরুতেই এজাজকে ফেরানো প্রাইম দোলেশ্বরের পেসার আল আমিন হোসেন ফিরিয়ে দেন মোহামেডানের অন্যতম ব্যাটিং ভরসা উপুল থারাঙ্গাকে।
 
এরপর অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমও ফিরে গেছেন দলকে বিপদে রেখেই। মোহামেডান যখন উল্টো পথে হাঁটছে তখন ব্যাটকে কথা বলাতে শুরু করেন নাঈম ইসলাম। বাকিটা সময় একাই লড়েছেন তিনি। তাকে কিছুটা সময় সঙ্গ দিয়েছেন আরিফুল হক ও নাজমুল হোসেন মিলন।
 
তবে অন্য প্রান্তে আসা যাওয়ার মিছিল চলতে থাকলেও নাঈম ধীর স্থিরভাবে ব্যাটিং চালিয়েছেন। পেয়েছেন সাফল্যও। মোহামেডানের বাজে দিনে লিস্ট ‘এ’ ক্যারিয়ারের পঞ্চম শতক তুলে নেন ‘ছ্ক্কা নাঈম’ খ্যাত ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান।
 
১৪৭ বলে ১০ চারে করেন ইনিংস বাঁচানো ১০০ রান। ২০১৩ সালের পর লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে এটা নাঈমের প্রথম শতক। তার শতকেই দিক হারানো মোহামেডান শেষ পর্যরন্ত ১০ উইকেটে ১৮৮ রান তোলে।
 
দোলেশ্বরের বোলারদের মধ্যে ফরহাদ রেজা ও আল আমিন হোসেন প্রত্যেকে তিনটি করে উইকেট নেন। ১৮৯ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ওপেনিং জুটিতে আসে ৫৩ রান। ব্যক্তিগত ১৬ রানে রবিউল ইসলাম ফিরে গেলে ক্রিজে নামেন রকিবুল হাসান। দ্বিতীয় উইকেটে রকিবুল-ইমতিয়াজ মিলে ৭২ রানের ইনিংস খেলেন। কিছুক্ষণের মধ্যে ডি সিলভা আউট হলে বাকি কাজটুকু প্রায় শেষ করেই আউট হন ইমতিয়াজ আহমেদ। ৮৮ রান করে আরিফুল হকের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন।
 
এরপর বাকি কাজটুকু শেষ করেন নাসির হোসেন (৩৭) ও রনি তালুকদার(১২)। ৫১ বল বাকি থাকতেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় প্রাইম দোলেশ্বর।