ইন্টারনেট ব্যবহারে পিছিয়ে বাংলাদেশ: বিশ্বব্যাংক

বাংলাদেশে দ্রুত বাড়ছে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার, কিন্তু এর সুফল বা ডিজিটাল ডিভিডেন্ড সে ভাবে আসছে না। বাংলাদেশে মোবাইল ব্যবহারকারীদের সংখ্যা ১৩ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। প্রযুক্তির প্রসার হয়েছে ব্যাপক হারে। এর পরেও ইন্টারনেট ব্যবহারে পিছিয়ে রয়েছে এমন ৫ম বৃহৎ দেশ হলো বাংলাদেশ।
 
‘ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট ২০১৬: ডিজিটাল ডিভিডেন্ড’ শীর্ষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করেছে বিশ্বব্যাংক। সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে আনুষ্ঠানিক ভাবে এ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, দেশে ১০ কোটি মানুষ এখনও ইন্টারনেট সেবার বাইরে রয়ে গেছে। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার বাড়িয়ে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধিকে তরান্বিত করা, আরো কর্মসংস্থানের পাশাপাশি সরকারি সেবার মান উন্নত করার সুযোগ রয়েছে।
 
প্রতিবেদনটি ওয়াশিংটন থেকে গত জানুয়ারি মাসে প্রকাশ করা হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কর্যালয়ের উদ্যোগে সোমবার এটি বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়।
 
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। উপস্থিত ছিলেন বিশ্ব ব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফান, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক এসএম আশরাফুল ইসলাম। প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বিশ্ব ব্যাংকের রিপোর্ট কো-ডিরেক্টর দীপক মিশারা।
 
জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন করছে সরকার। শিগগিরিই এ আইন অনুমোদন পাবে। পলক বলেন, একটা সময় শুধু পোশাক রফতানি নিয়ে স্বপ্ন দেখতো বাংলাদেশ। এখন আইসিটি রফতানিতেও আমরা অনেক এগিয়ে গেছি। শিগগিরিই রফতানিতে পোশাক শিল্পের পরই আইসিটির অবস্থান থাকবে।
 
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশে মোবাইলে কথা বলার খরচ তুলনামূলক কম রয়েছে। কিন্তু ইন্টারনেট খরচ অনেক বেশি। এখনও দেশে ১০ কোটি মানুষ ইন্টারনেট সেবার বাইরে। মোট কর্মসংস্থানের মাত্র শূন্য দশমিক ৫ ভাগ হলো তথ্য প্রযুক্তি খাতে। তবে এর বাইরে বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সিং, মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স এবং অন্যান্য সেবায়ও কর্মসংস্থান রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।