ইরানে অশ্লীলতার অভিযোগে ৮ মডেল আটক

অনলাইনে ‘অনৈসলামিক মডেলিং’-এর অভিযোগে ইরানে বিভিন্ন মডেল এজেন্সির আটজন কর্মীকে আটক করা হয়েছে।
 
আদালত ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, ইন্সটাগ্রাম এবং অন্যান্য ওয়েবসাইটে পোস্ট করা মহিলাদের স্কার্ফ ছাড়া ছবির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে চালানো চিরুনি অভিযানে ১৭০ জন মডেলিং সংশ্লিষ্ট কর্মীকে নজরে রাখা হয়। এদের মধ্যে ছিলেন ৫৯ জন আলোকচিত্রী ও মেক-আপ আর্টিস্ট, ৫৮ জন মডেল এবং ৫১ জন সেলুন ম্যানেজার ও ডিজাইনার।
 
এদের মধ্যে ২৯ জনকে আদালতের পক্ষ থেকে সতর্কবার্তা পাঠানো হয় এবং আটজনকে পরবর্তীতে আটক করা হয়। ইরানে ১৯৭৯ সাল থেকেই জনসম্মুখে মহিলাদের চুল ঢেকে রাখা বাধ্যতামূলক। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জাভাদ বাবায়েই রবিবার দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেলে "সোশাল মিডিয়াগুলো "নৈতিকতা ও পারিবারিক ভিত্তির জন্য হুমকিস্বরূপ" সূচক এক অনুষ্ঠানে এসব আটকের খবর ঘোষণা করেন।
 
ইরান থেকে মোট ইন্সটাগ্রাম পোস্টের শতকরা ২০ শতাংশেই মডেলিং এজেন্সিগুলো জড়িত এবং তারা অনৈতিক ও অনৈসলামিক সংস্কৃতি ও যৌনতা সম্পর্কিত বিষয় তৈরি করছে এবং তা ছড়িয়ে দিচ্ছে বলে দাবি করেন বাবায়েই। তিনি আরও বলেন, নোটিশ পাওয়ার পর যারা নিজেদের আচরণ সংযত করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
 
ইরানিয়ান সেন্টার ফর সার্ভেয়িং অ্যান্ড কমব্যাটিং সাইবার ক্রাইমস-এর মুখপাত্র মোস্তাফাফা আলিজাদেহ বলেন, সাইবার স্পেস দূষণমুক্ত রাখা আমাদের এজেন্ডার মধ্যেই পড়ে। ২০১৩ সালে আমরা ফেসবুকের ক্ষেত্রে একই রকমের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করি, আর এখন আমাদের নজর ইন্সটাগ্রামের দিকে। তবে এ বিষয়ে ইন্সটাগ্রামের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। বিবিসি।