কয়েক দশকের সামরিক শাসনের পর মিয়ানমারের চলমান রাজনৈতিক সংস্কারের প্রতি সমর্থনের ইঙ্গিত হিসেবে দেশটির উপর থেকে আরো কয়েকটি অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
মিয়ানমারের ব্যাংকিং, টিম্বার ও খনিশিল্প খাতের ১০টি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানিকে কলোতালিকা থেকে মুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এখনও তাদের কর্তৃত্ব বজায় রাখায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগের উপর আরোপ করা অধিকাংশ নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে ওবামা প্রশাসন। গেল ৫০ বছরের মধ্যে চলতি বছর প্রথমবারের মতো মিয়ানমারে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত একটি সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করেছে।
নভেম্বরে প্রায় অবাধ ও নিরপেক্ষ একটি নির্বাচনে বিশাল জয় পেয়েছে দেশটির নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী রাজনীতিবিদ অং সান সু চির দল। এর আগে সামরিক শাসনামলে সু চিকে দীর্ঘদিন গৃহবন্দী থাকতে হয়েছে।
নেতৃত্বাধীন দল জয় পেলেও নতুন সাংবিধানের বাধ্যবাধকতার কারণে দেশটির প্রেসিডেন্ট হতে পারেননি সু চি। তবে প্রেসিডেন্ট হতে না পারলেও মন্ত্রিসভার সদস্য সু চি সরকারের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হয়েই আছেন।