বিচারপতি শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক বলেছেন, প্রশাসনের ব্যর্থতা, রাজনৈতিক নেতাদের আপোষকামী মনোভাব এবং হাইব্রিড আওয়ামী লীগারদের কারণে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অসহিষ্ণু হয়ে উঠছে। সাম্প্রদায়িক শক্তি আওয়ামী লীগে ঢুকে একে সাম্প্রদায়িক দলে পরিণত করছে।
শুক্রবার বেলা ১১টায় প্রেসক্লাব যশোরে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির মতবিনিময় সভায় একথা বলেন তিনি। তিনি এর বিরুদ্ধে সামাজিক-সাংস্কৃতিক শক্তির ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
‘চলমান সামপ্রদায়িক সহিংসতার অবসানে সরকার ও নাগরিক সমাজের করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় কমিটির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।
মতবিনিময় সভায় ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির কেন্দ্রীয় সভাপতি শাহরিয়ার কবীর বলেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের ব্যাপারে ইত্তেফাকের রিপোর্ট আমরা জাতীয় সংলাপে তুলে ধরেছি। তিনি বলেন, সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় ফৌজদারি আইন প্রণয়ন, জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন এবং পৃথক সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার কথা আমরা সরকারকে বলেছি। সরকার এই তিন ব্যাপারে নীতিগতভাবে একমত হয়েছে।
ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির যশোর জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী আব্দুস শহীদ লালের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কাজী মুকুল, শিক্ষাবিদ মমতাজ লতিফ, কলামিস্ট সৈয়দ মাহবুবুর রশীদ, ওয়াকার্স পার্টির পলিট ব্যুরো সদস্য ইকবাল কবীর জাহিদ, সিপিবির জেলা সম্পাদক গাজী গোলাম মোস্তফা, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের জেলা সভাপতি ডিএম শাহিদুজ্জামান, পূজা উদযাপন পরিষদের জেলা সম্পাদক দীপংকর দাস রতন, ট্রেড ইউনিয়ন নেতা মাহবুবুর রহমান মজনু প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নেতৃবৃন্দ বিকেলে যশোরের চৌগাছা উপজেলার পাশাপোল ইউনিয়নে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সাথে মতবিনিময় করবেন।