ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’র প্রভাবে উপকূলীয় জেলা খুলনায় ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে দমকা বাতাসের তীব্রতা। দুর্গতদের আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নিতে জেলা প্রশাসন থেকে উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এদিকে উপকূলীয় উপজেলা দাকোপ, কয়রা, পাইকগাছা ও বটিয়াঘাটা উপজেলার মানুষ বিভিন্ন সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নিতে শুরু করেছেন।
শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে খুলনায় টানা বৃষ্টি হচ্ছে। এরপর থেকে আজ শনিবার টানা বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে দাকোপ ও কয়রাসহ উপকূলীয় উপজেলাগুলো বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছে। খুলনা মহানগরীরও অনেক স্থানেও বিদ্যুৎ নেই।
খুলনা জেলা প্রশাসক (ডিসি) নাজমুল আহসান জানান, জেলার বিভিন্ন জায়গায় ১৭৬টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ১ হাজার ৭৬ জন স্বেচ্ছাসেবককে নিয়োজিত করা হয়েছে। তারা মানুষজনকে সাইক্লোন শেল্টারে যেতে শুক্রবার বিকাল থেকে উপকূলীয় এলাকায় মাইকিং করছেন।
তিনি বলেন, ইউএনওদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে যেন মানুষ দ্রুত আশ্রয় কেন্দ্রে চলে আসেন। ৯ উপজেলার মধ্যে বিশেষ করে দাকোপ, কয়রা, পাইকগাছা, বটিয়াঘাটা ও রূপসা উপজেলার মানুষ শুক্রবার সন্ধ্যা থেকেই আশ্রয় কেন্দ্রে আসা শুরু করেছে।
স্থানীয় আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, স্বাভাবিকের তুলনায় নিম্নাঞ্চলে ৩/৪ ফুট পানি বাড়তে পারে।