ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর প্রভাবে সাতক্ষীরায় দু’দিন ধরে একটানা বৃষ্টি হচ্ছে। শুক্রবার রাত থেকে হালকা ঝড়ো হাওয়া বইতে শুরু করেছে। শনিবার সকাল থেকে তা আস্তে অস্তে কিছুটা বৃদ্ধি পাচ্ছে । সুন্দরবন ও সীমান্ত উপকূলীয় নদীগুলো উত্তাল হয়ে উঠেছে। ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধগুলোর অবস্থা এখন খুবই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। যেকোন সময় শ্যামনগর ও আশাশুনির ঝুকিপূর্ণ বেড়িবাঁধগুলো ভেঙ্গে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশংকা করছেন স্থানীয়রা। এর ফলে তাদের মধ্যে অজানা আতংক বিরাজ করছে।
এদিকে রোয়ানুর সম্ভাব্য আঘাত মোকাবেলায় জেলায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়েছে। আইলা উপদ্রুত শ্যামনগরের গাবুরা ও পদ্মপুকুর ইউনিয়নের ১১ হাজার গ্রামবাসীকে রাতেই নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়। জেলার ১৩২টি সাইক্লোন শেল্টারের সবগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া স্কুল কলেজ মাদ্রাসা এবং সুবিধাজনক স্থানসমূহ প্রয়োজনে ব্যবহারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আশাশুনি ও শ্যামনগর সহ ৭৮ টি ইউনিয়নের প্রতিটিতে মেডিকেল টিম প্রস্তুত রয়েছে। এ দুই উপজেলায় প্রায় চার হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রয়েছেন। সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবেলায় খাবার পানি, ওষুধপত্র, শুকনো খাবার এবং নৌকা ও ট্রলারসহ বিভিন্ন যানবাহন প্রস্তুত রাখা হয়েছে। গ্রামে গ্রামে মাইকিং করে জনসাধারণকে সতর্ক রাখা হয়েছে। তাদের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাসেম মো. মহিউদ্দিন জানান, রোয়ানু মোকাবেলায় সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।