প্রেমিকের সঙ্গে বিয়ে ঠিক করার পরও অভিমানে প্রেমিকা আবিদা সুলতানা অনন্যা (২০) আত্মহত্যা করেছেন। আত্মহত্যা করার আগে প্রেমিকা মোবাইল ফোনে তার হবু স্বামীর সঙ্গে কথা বলেছেন।
এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে রাজধানীর মিরপুর-১১ এর ব্লক বি, লাইন-১, ৫০ নম্বর বাড়িতে। আজ সোমবার ভোর ৪টার দিকে পুলিশ অনন্যার লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠিয়েছে।
মৃত অনন্যা মিরপুরের বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি’র (বিইউবিটি) বিবিএ- এর তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে।
পল্লবী থানার এসআই রফিকুল ইসলাম মৃত অনন্যার বাবা আবুল কালামের আজাদের বরাত দিয়ে জানান, শফিকুল ইসলাম নামের এক যুবকের সঙ্গে তার মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিয়ের প্রস্তাব আসলে প্রথম দফায় নাকচ করে দেয়া হয়। পরবর্তীতে পারিবারিকভাবে বিয়ে ঠিক করা হয়।
রবিবার দিবাগত রাতে অনন্যার বাবা শবে বরাতের নামাজ পড়ার জন্য মসজিদে যান। ভোর ৪টার দিকে বাসায় এসে দেখেন, অনন্যার ঘরের দরজা বন্ধ। ভেতরে লাইট জ্বলছে। জানালা দিয়ে দেখতে পান, সিলিং ফ্যানের সঙ্গে অনন্যার লাশ ঝুলছে। পরে পুলিশ এসে দরজা ভেঙ্গে লাশ উদ্ধার করে।
এসআই রফিকুল ইসলাম জানান, অনন্যার মোবাইল ফোনের কললিস্ট যাচাই করে জানা গেছে, মৃত্যুর আগে ১৭ মিনিট ধরে মোবাইল ফোনে শফিকের সঙ্গে কথা বলে ছিলেন অনন্যা। তবে কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছে তা নিয়ে শফিককে জিজ্ঞাসা করা হবে।