জেলার দুর্গাপুর উপজেলার সাতটি ইউপি নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের হিড়িক পড়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে দুই বড় দল বিএনপি ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী, সাধারণ সদস্য এমনকি সংরক্ষিত সদস্য প্রার্থীরাও পাল্লা দিয়ে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে চলেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার ছয়টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীদের দল থেকে বহিষ্কারের সুপারিশ করে জেলা কমিটিকে চিঠি দিয়েছেন দুর্গাপুর উপজেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। বহিষ্কারের সুপারিশকৃতরা হলেন, ২নং কিসমত গণকৈড় ইউপির বিদ্রোহী প্রার্থী ও উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি আলিফ আলী (আনারস), ৩নং পানানগর ইউপির বিদ্রোহী প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য আজিজুল ইসলাম (ঘোড়া), ৪নং দেলুয়াবাড়ি ইউপির বিদ্রোহী প্রার্থী ও উপজেলা যুবলীগের ক্রীড়া সম্পাদক মো. আলামিন (আনারস), ৫ নং ঝালুকা ইউপির বিদ্রোহী প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি কবিরুল ইসলাম আনিস (আনারস), ৬নং মাড়িয়া ইউপির বিদ্রোহী প্রার্থী ও উপজেলা সৈনিক লীগের সভাপতি আব্দুল লতিফ মৃধা (আনারস) এবং ৭নং জয়নগর ইউপির বিদ্রোহী প্রার্থী ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ- সভাপতি শমসের আলী (ঘোড়া)।
অন্যদিকে উপজেলার সাতটি ইউপির আঁনাচে কাঁনাচে একাধিক নির্বাচনী অফিসে আলোকশয্যা, মিছিল-মিটিং চলছে। একটি ইউপিতে তিনটির বেশি নির্বাচনী অফিস করা যাবে না, এমন প্রজ্ঞাপন জারি থাকলেও তা মানছেন না প্রার্থীরা। উপজেলা নির্বাচন অফিসের তেমন ভূমিকা না থাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এমনকি তাদের হয়ে প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মজিদ সরদার ও তার অনুসারীরা অন্যান্য প্রার্থীদের বেপরোয়া হুমকি দিচ্ছে বলে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে অভিযোগ করেছেন একজন চেয়ারম্যান প্রার্থী। এছাড়া চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থীরা মোটরসাইকেল শোডাউন ও মিছিল অব্যাহত রেখেছেন। পাশাপাশি প্রার্থীরা ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের হাতে নগদ টাকাসহ বিভিন্ন উপহার ধরিয়ে দিচ্ছেন বলে জানা গেছে। এসব বিষয়ে দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বুলবুল আহম্মেদ বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।