বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, 'ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের মতোই পৌর নির্বাচনেও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের তাণ্ডব চলছে।' বুধবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের পক্ষে এ অভিযোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী নোয়াখালী, ফেনী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন পৌরসভায় নানা অনিয়মের অভিযোগও করেন।
নোয়াখালীর নির্বাচনের বিষয়ে রিজভী বলেন, ভোট শুরুর আগেই আওয়ামী ক্যাডাররা সোনাপুর আহম্মদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র, কারামতিয়া আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্র, মোহাব্বতপুর পৌর কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সোনাপুর ইসলামিয়া আলিয়া মাদ্রাসা, ব্রাদার আন্দ্রে উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র ও প্রভাতী স্কুল কেন্দ্রসহ ২০টি কেন্দ্র দখল করে নিয়েছে। প্রশাসনের প্রত্যক্ষ মদদে সন্ত্রাসীরা অস্ত্রের মুখে ধানের শীষ প্রতীকের এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেয়। আর ভোট কেন্দ্রের বাইরে স্থানীয় ও বহিরাগত সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা অবস্থান নিয়ে কেন্দ্র ঘেরাও করে রেখেছে।
ফেনীর নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, ছাগলনাইয়ায় শত শত স্থানীয় ও বহিরাগত সন্ত্রাসী আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় ১০টি ভোটকেন্দ্রই ঘেরাও করে রাখে। বুধবার সকালে ভোট শুরুর আগে ধানের শীষ প্রতীকের এজেন্টরা ভোটকেন্দ্রে গেলে তাদের ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে দেয়া হয়নি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা পৌর নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি রিজভী বলেন, ছাত্রলীগ-যুবলীগের ক্যাডাররা ১০টি কেন্দ্রের মধ্যে আটটিই দখল করে নেয়। কসবা মহিলা মাদ্রাসা কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসার মো. শহিদুল আমিন ভুঁইয়া ব্যালট পেপারে প্রকাশ্যে সিল মারার সময় ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. ইলিয়াস প্রতিবাদ জানালে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাকে কেন্দ্র থেকে জোরপূর্বক বের করে দেয়।