রিজার্ভ চুরির হোতারা ভারতে!

 
 
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মূল হোতারা এখন ভারতে। রিজার্ভ চুরির আগে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে পরিকল্পনা করে তারা। পরে সুযোগ বুঝে বাংলাদেশের রিজার্ভের অর্থ হাতিয়ে নেয় তারা। আর এ চুরির পেছনে মূল পরিকল্পনাকারী একাধিক ব্যক্তি। বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে প্রভাবশালী ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে এ দাবি করা হয়েছে।
 
উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ অ্যাকাউন্ট থেকে ১০১ মিলিয়ন ডলার চুরি যায়। এর মধ্যে ২০ মিলিয়ন ডলার গ্রাহকের নাম ভুল করায় শ্রীলংকায় আটকে যায়, পরে তা ফেরত আনা হয়। বাকি ৮১ মিলিয়ন ডলার যায় ফিলিপাইনের একটি বেসরকারি ব্যাংকে। সেখান থেকে ক্যাসিনো হয়ে হংকংয়ে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয় ওই অর্থ। এ অর্থ লোপাটের ঘটনা নিয়ে তদন্ত করছে একাধিক সংস্থা। তবে এখনও পর্যন্ত এ ঘটনায় কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি।
 
বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে মেইল অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের এ অর্থ কেলেঙ্কারি কোনো একজন ‘মূল পরিকল্পনাকারী’র  কাজ নয়। এ কাজে একাধিক ব্যক্তি জড়িত। তারা এক বছরেরও বেশি সময় ধরে এ ঘটনার পরিকল্পনা করেছে। সূত্রটি বলেছে, ‘এতে সংশ্লিষ্টরা ভারতে রয়েছে এবং তারা সম্ভবত প্রক্সি (ইন্টারনেটে নিজের প্রকৃত অবস্থান গোপন করে ভার্চুয়াল অবস্থান দেখানোর পদ্ধতি) ব্যবহার করছে। সে কারণেই তাদের ধরা যাচ্ছে না। তাদের কেউ কেউ ভারতের কেন্দ্রেই অবস্থান করছে। আর কয়েকজন রয়েছে বাইরে। কারিগরি দিক থেকে তারা এতোটাই শক্তিশালী যে তাদের সন্ধান পাওয়াই সম্ভব নয়।
 

ওই সূত্রটি মেইল অনলাইনকে আরও জানায়, এসব ব্যক্তি খুব সহজেই নিজেদের লুকিয়ে ফেলতে পারে এবং ২/৩ মিনিটের মধ্যেই হারিয়ে যেতে পারে। সূত্রটির দাবি, চুরি করা রিজার্ভের অর্থ দিয়ে হোতাদের জীবনের নিশ্চয়তা তৈরী হয়েছে। তাদের দাবি, সারাজীবন নিশ্চিন্তে পার করে দেয়ার জন্য দেড় কোটি ডলারই যথেষ্ট।