দুই যুবকের চেষ্টায় হাজারো রেলযাত্রীর প্রাণ রক্ষা

ঘড়ির কাটায় সময় তখন ভোর সাড়ে পাঁচটা। এলাকার কিছু যুবক রেললাইন (স্লিপার) ভাঙা দেখে দুই পাশে গামছা টাঙিয়ে ট্রেন থামানোর চেষ্টা করছিল। সেই সঙ্গে চলছিল নিজেদের মোবাইল থেকে নিকটবর্তী মতিহার থানা এবং রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে ফোন করার চেষ্টা। কিছুক্ষণ পরই নগরীর মতিহার থানা পুলিশের একটি টহল ভ্যান ঘটনাস্থলে যায়। তার পরেই আসে রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ততক্ষণে রেল লাইনের পাশে গামছা টাঙানো দেখে চালক ট্রেন থামিয়ে দিয়েছেন। রেলওয়ের কর্মচারীরা রেললাইন মেরামত করার পর একে একে তীতুমীর, সাগরদাঁড়ি, মধুমতি ও সিল্কিসিটি ট্রেন পার হয়ে যায়।
 
শুক্রবার ভোরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) পাশের গনির ঢালান এলাকায় রেললাইনে এভাবেই চারটি ট্রেন ও কয়েক হাজার যাত্রী মারাত্মক দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পায়।
 
এলাকাবাসী জানায়, ভোরের দিকে বিকট শব্দ পেয়ে তারা রেললাইনে ছুটে যান। সেখানে রেললাইন ভাঙা দেখে নিকটবর্তী মতিহার থানা ও রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল জোনের অফিসে ফোন করেন। পরে পুলিশ ও রেলওয়ের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভাঙা রেললাইন হালকা মেরামত করে। এরপর তীতুমীর, সাগরদাঁড়ি, মধুমতি ও সিল্কসিটি ট্রেন পার করে দেয়।
 
রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল জোনের পার্মেন্টওয়ে ইন্সপেক্টর (পিডাবলুআই) করিমল চন্দ্র বিশ্বাস বলেন,জানান, ‘এলাকার মানুষ লাইন ভাঙা দেখে আমাদের অফিসে জানায়। ভোরে মালগাড়ি যাওয়ার কারণে লাইনটি ভেঙে যায়। মনে হয় এর আগেই সেখানে সামান্য ভাঙা ছিলো। বর্তমানে রেললাইন ঠিক করা হয়েছে।’