ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেছেন, 'তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি গ্রাম পর্যন্ত সম্প্রসারিত হওয়ায় সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তৃণমূলের অবাধ তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করার সুবর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করেছে।'
তিনি বলেন, 'প্রতিবেদন ও ফিচার লেখা, গ্রন্থনা ও সম্পাদনায় উপযুক্ত প্রশিক্ষণ পেলে দেশের চার হাজার ৫শ' ৫০টি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের প্রায় ১০ হাজার উদ্যোক্তা তৃণমূলের অবাধ তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। গ্রামবাংলার উন্নয়ন ও সাফল্যগাঁথা কাহিনীর উপর প্রতিবেদন ও ফিচার লিখে তৃণমূলের তথ্যের জানালাকে অবারিত করতে পারে।'
ড. সিদ্দিক শনিবার প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশে (পিআইবি) ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের (ইউডিসি) ১০ হাজার উদ্যোক্তাকে ইনফো লিডার (তথ্যকর্মী) হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ঢাকা বিভাগের মাস্টার ট্রেইনার তৈরির প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী ও সনদ বিতরণী অুনষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীন তৃণমূলের তথ্যজানালা কর্মসূচি আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার, লিভারেজিং আইসিটি ফর গ্রোথ, এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড গভর্নেন্স (এলআইসিটি) প্রকল্পের কমিউনিকশেন স্পেশালিস্ট অজিত কুমার সরকার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান, তথ্যসেবা বার্তা সংস্থা (টিএসবি) এর নির্বাহী সম্পাদক ড. অলিউর রহমান এবং মাস্টার ট্রেইনারদের পক্ষ থেকে ফারজানা নাদিরা।
তিন দিনব্যাপী মাস্টার টেইনার তৈরির প্রশিক্ষণে যারা প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম সিনিয়র সাংবাদিক ফরিদ হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন অ্যান্ড ফিল্ম স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান এ জে এম সফিউল আলম ও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান, একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রাম এর প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর মাজেদুল ইসলাম, ডেইলি স্টারের মেট্রো ডেক্সের ডেপুটি এডিটর মাহমুদুল হক, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি বিভাগের খন্ডকালিন শিক্ষক মিনার মাসুদ, সোহেল রানা প্রমুখ।