নাট্যচক্রের সপ্তবর্ণা নাট্যোত্সব শুরু

স্বনামধন্য নাট্যনির্দেশক গোলাম সারোয়ার নির্দেশিত সাতটি নাটক নিয়ে নাট্যচক্রের আয়োজনে শুরু হয়েছে সপ্তবর্ণা নাট্যোত্সব। গতকাল শনিবার শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে মঙ্গলপ্রদীপে সাত শিখা প্রজ্বলন করে সপ্তাহব্যাপী নাট্যোত্সবের উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা সচিব সোহরাব হোসাইন ও শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। অনুষ্ঠানে নাট্যচক্রের সভাপতি ম. হামিদের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন গোলাম সারোয়ার। উদ্বোধনী শেষে মঞ্চস্থ হয় শিল্পকলা একাডেমি ও জাপান দূতাবাসের যৌথ প্রযোজনা ‘একশ’ বস্তা চাল’। আজ রবিবার একই মঞ্চে হবে ঢাকা থিয়েটার মঞ্চের নাটক ‘ঘরজামাই’। এছাড়াও আগামীকাল সোমবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত যথাক্রমে মঞ্চস্থ হবে নান্দনিক নাট্য সম্প্রদায়ের ‘ক্লিওপেট্রা’, উত্তরা কালচারাল সোসাইটির ‘বিবাহ প্রস্তাব’, নাট্যবেদের ‘কমলাকান্ত’, পদাতিক নাট্য সংসদের ‘কালের যাত্রা’ এবং নাট্যচক্রের ‘ভদ্দরনোক’।
 
শেষ হলো ছায়ানটের
 
নজরুল উত্সব
 
দেশের স্বনামধন্য নজরুল সঙ্গীত শিল্পীদের সুরের আলোয় আলোকিত ছিল ছায়ানটের নজরুল উত্সবের দ্বিতীয় দিনের আয়োজন। নাশিদ কামাল, খালিদ হোসেন, ইয়াসমিন মুশতারি খায়রুল আনাম শাকিলদের গান মন মাতায় শ্রোতাদের। উত্সব শুরু হয় ছায়ানটের শিল্পীদের কণ্ঠে ‘অম্বরে মেঘ-মৃদঙ্গ বাজে’ এই সমবতে সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে। স্বাগত কথনে যোগ দেন প্রাবন্ধিক মফিদুল হক। আবৃত্তি করেন ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়। একক গান গেয়ে শোনান প্রিয়ন্ত দেব, জান্নাতুল ফেরদৌস সামান্থা, মইদুল ইসলাম, লিয়াকত খান, স্বর্ণা নাগ, ইয়াকুব আলী খান, সৈয়দা সনজিদা জোহরা বিথীকা, অলোক সেন, আফসানা রুনা, শামীমা পারভীন শিমু, ছন্দা চক্রবর্তী, শুক্লা পাল সেতু, কানিজ হুসনা আহম্মদী, লায়েকা বশির, রেজওয়ানুল                 হক ও মোাহিত খান।
 
রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থার
 
২৮ বছর পূর্তি
 
পাবলিক লাইব্রেরির শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তনে গতকাল সন্ধ্যায় ছিল বাংলাদেশ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থার ২৮ বছর পূর্তি ও রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী তপন মাহমুদের সংবর্ধনা। উদ্বোধন করেন এ্যামেরিটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান।
 
শিল্পকলায় পুতুলনাট্য
 
শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার হলে গতকাল হয়ে গেলো পুতুলনাট্য প্রদর্শনী। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের বাংলাদেশের পুতুলনাট্য গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রের আয়োজনে মুনীর চৌধুরী রচিত ‘কুপোকাত’, জসীম উদ্্দীন ও উপেন্দ্র কিশোর রায়চৌধুরী রচিত ‘টুনটুনি ও নাককাটা রাজা’ এবং একটি জাতীয় দৈনিকের রম্য সাময়িকী রস+আলো থেকে অনুপ্রাণিত ‘জনৈক গরুর সাক্ষাত্কার প্রর্দশিত হয়।