আসন্ন ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে আবাসন খাতে সিঙ্গেল ডিজিট সুদে দীর্ঘমেয়াদী পুনঃঅর্থায়ন চালুসহ বেশ কয়েকটি দাবি জানিয়েছে এ খাতের ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। রবিবার প্রাক বাজেট আলোচনায় রিহ্যাব-এর পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়।
এ সময় আবাসন খাতে বৈধভাবে উপার্জিত অপ্রদর্শিত আয় বিনিয়োগের জন্য ‘আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪’-এর ১৯-বি ধারার ‘যুগোপযোগী’ সংশোধনের প্রস্তাব দেয়া হয়।
প্রস্তাবের সপক্ষে রিহ্যাব নেতারা বলেন, আবাসন খাতে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি মোকাবেলায় ৫ থেকে ১০ বছরের জন্য গৃহায়ন খাতে অপ্রদর্শিত অর্থ ফ্ল্যাট, প্লট, বাণিজ্যিক ভবন ও বিপণীবিতানে বিনিয়োগের সুযোগ দেয়া উচিত। অন্যথায় বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হয়ে যাবে। এ ছাড়া বর্তমানে বিভিন্ন দেশে ‘সেকেন্ড হোম’ নেয়ার সুযোগ থাকায় দেশের অর্থ স্বাভাবিকভাবেই বিদেশে চলে যাচ্ছে। এই অবস্থায় অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ দিলে তা ট্যাক্স নেটের আওতায় আসবে এবং সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে বলে দাবি করেন তারা।
প্রাক-বাজেট আলোচনায় রিহ্যাব নেতারা ১৩ দফা দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে আবাসন খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সিঙ্গেল ডিজিট সুদে দীর্ঘ মেয়াদী পুন:অর্থায়ন সুবিধা চালু করা, রেজিস্ট্রেশন ব্যয় ৭ শতাংশে নামিয়ে আনা, গেইন ট্যাক্স ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪ শতাংশ নির্ধারণ; গৃহায়ণ শিল্পের উদ্যোক্তাদের আয়কর হ্রাস; সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য বিশেষ সুদের হারে আবাসন তহবিল গঠন ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
রিহ্যাব প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সংগঠনটির সহ-সভাপতি লিয়াকত আলী।