জাতীয় ক্রিকেট দল নির্বাচক প্যানেলে যুক্ত হতে যাচ্ছেন দলের কোচ চন্দিকা হাথুরুসিংহ। সোমবার একথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান পাপন।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সাবেক ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া বিসিবির টেকনিক্যাল কমিটির সঙ্গে বসেন নাজমুল হাসান। শফিকুল হক হীরা, জাহাঙ্গীর শাহ বাদশা, আতহার আলী খানরা সেখানে জাতীয় বোলিং কোচ, টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের উন্নতি, ঘরোয়া ক্রিকেটে আম্পায়ারিংয়ের মান নিয়ে আলোচনা করেন। তবে আলোচনার একটা বড় অংশ জুড়ে ছিল নির্বাচক প্যানেল ইস্যু।
বিসিবি সভাপতি টেকনিক্যাল কমিটিকে জানিয়েছেন, কেন পরিবর্তন আনতে যাচ্ছেন তারা।
তিনি বলেন, ‘যে সুপারিশগুলো এসেছে সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমার সাথে উনারা সবাই একমত হয়েছেন। উনাদের সময়েই কোচ নির্বাচক প্যানেলে অন্তর্ভূক্ত ছিলেন। কাজেই আমরা সকলেই মনে করি এটা থাকবে।’
এর আগে বাংলাদেশের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় নির্বাচক কমিটিতে অন্তর্ভূক্ত ছিলেন ডেভ হোয়াটমোর। সে সময়ও প্রধান নির্বাচক ছিলেন ফারুক আহমেদ।
হাথুরুসিংহে কোচ হিসেবে আসার পর দল নির্বাচনে সময় নানা ভাবে মত রেখেছেন। নির্বাচকরাও কোচের চাহিদা জানতে চেয়েছেন ও মত নিয়েছেন। এখন আনুষ্ঠানিকভাবে কেন নির্বাচক কমিটিতে প্রধান কোচকে আনা হচ্ছে, তার ব্যাখ্যা দিলেন বিসিবি প্রধান।
বিসিবি প্রধান আরো বলেন, ‘আমি চাচ্ছি, কোচও খেলা দেখুক। তার যখন সময় থাকে তখন বসে না থেকে সে খেলা দেখুক। আমি চাচ্ছি, ঘরোয়া সব খেলা কেউ না কেউ যেন দেখে। নতুন উদীয়মান যে খেলোয়াড় আছে তাদের কথা যেন সবাই জানে। হঠাৎ একটা নাম এলো কোচ তাকে চিনেই না-জানেই না এমন যেন না হয়।’
নাজমুল হাসান জানান, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় প্রধান কোচ না থাকলে নির্বাচকরা দল দেওয়ার পর তার দ্বিমতের সুযোগ থাকে। তা এড়াতেই তাদের এই পরিকল্পনা।
‘শুধু একটা জিনিস করা হয়েছে, চূড়ান্ত তালিকা পাঠানোর আগে কোচ এবং নির্বাচকরা একটা জায়গায় বসে যেন পাঠায়। পাঠানোর পর যেন কোনো দ্বিমত না থাকে। অনেক সময় পরিবর্তন করতে হয়, এসব যেন আর না হয়।’
আগামী বোর্ড সভায় নির্বাচক কমিটির নতুন কাঠামো চূড়ান্ত হতে পারে।