রোমিং সিম নিবন্ধনে আরো ৭ দিন সময়

সেলুলার ফোন অপারেটরগুলো আজ থেকে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে অনিবন্ধনকৃত সিম বন্ধ করে দিলেও রোমিং সিম এবং রিম চালু রাখতে গ্রাহকদের আরো ৭ দিন সময় দেয়া হয়েছে।  অপারেটরদের কাছে আজ দুপুর দেড় টায় পাঠানো বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিদেশে অবস্থানকারী গ্রাহকদের রোমিং সিম এ মুহূর্তে বন্ধ করা যাবে না। 
 
বিদেশে অবস্থানকারী গ্রাহকরা দেশে ফিরে আসার পর থেকে আরো ৭ দিন সময় পাবেন। তারা তাদের পাসপোর্ট এবং বিদেশ থেকে দেশে ফিরে আসার প্রমাণাদি দেখিয়ে সিম বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন করিয়ে নিতে পারবেন।  গত ১৬ ডিসেম্বর থেকে সিম নিবন্ধনের দীর্ঘ ৫ মাস ব্যাপী প্রচারণা ৩১ মে শেষ হয়। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মোট ১০ কোটি ৮১ লাখ ৮ হাজার ১৩৮ টি সিম/রিম বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন হয়েছে। তবে বিটিআরসির তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে ১৩ কোটি ১৯ লাখ মোবাইল ফোন গ্রাহক রয়েছে। একটি মহলের বিরোধিতা সত্ত্বেও ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম মোবাইল ফোন ভিত্তিক অপরাধ বন্ধে সিম/রিমের প্রকৃত মালিকানা নিশ্চিত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। 
 
টেলিকম রেগুলেটরের তথ্যমতে দেশে এখন ৬টি মোবাইল ফোন অপারেটরের প্রায় ৯’শ মোবাইল ফোন সংযোগ রয়েছে রোমিং সংযোগ হিসেবে। এ সকল মোবাইল ফোনের অধিকাংশই বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত হয়নি। বিটিআরসির মুখপাত্র এবং সেক্রেটারি সারোয়ার আলম বলেন, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী মোবাইল ফোন অপারেটরগণ বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত না হওয়া সিম/রিম সংযোগ বন্ধ করা শুরু করেছে। আমরা গ্রাহকদের জন্য রিরেজিষ্ট্রেশনের পর তাদের সিম/রিম চালু করার সুযোগ রেখেছি। অপারেটররা বলেছেন আনভেরিফাইড সিম/রিম বন্ধ করতে ২ থেকে ৩ দিন সময় লাগবে। 
 
এ দিকে বিটিআরসির জারিকৃত নতুন নিদের্শনায় বলা হয়েছে, গ্রাহকরা পরবর্তীতে তাদের সিম/রিম পুনরায় চালু করতে বন্ধ করার দিন থেকে ৪৫০দিন সময় পাবেন। অপারেটরগণ সিম পুনরায় বিক্রয় করতে বিজ্ঞাপন দিবে এবং বিজ্ঞাপন প্রকাশের পর ৯০ দিনের মধ্যে গ্রাহককে পুননিবন্ধনের ভিত্তিতে সিম পুনরায় চালু করতে পারবেন। 
 
৪৫০ দিন পর অপারেটরগণ নতুন সংযোগ হিসাবে সিম পুনরায় বিক্রয় করতে পারবে। এর আগে বিটিআরসি’র নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, ৩১ মে’র পর অনিবন্ধিত সিম বন্ধ করে দিতে হবে এবং মোবাইল অপারেটররা এই সিম যে কারো কাছে বিক্রয় করতে পারবে।