বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, 'বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে কারিগরি সহযোগিতা ও বিনিয়োগ করতে থাইল্যান্ড আগ্রহ প্রকাশ করেছে।'
থাইল্যান্ডের জ্বালানি মন্ত্রী জেনারেল আনানটাপর্ন কাঞ্জানারাত- এর সাথে তার অফিস কক্ষে বুধবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন। এ সময় তারা পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।
বুধবার ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়ে বলা হয়, প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এ সময় শেখ হাসিনা সরকারের বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ সাফল্যের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। পাওয়ার সিস্টেম মাস্টার প্ল্যান উল্লেখ করে তিনি কয়লাভিত্তিক, এলএনজি ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, এলএনজি টার্মিনাল, বিদ্যুৎ বিতরণ ও সঞ্চালন সিস্টেমে থাইল্যান্ডের সরকার ও বেসরকারি সংস্থাগুলোকে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, 'বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে ক্যাপাসিটি চার্জ ও কর রেয়াতসহ নানাবিধ সুবিধা প্রদান করা হয়।'
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী থাই মন্ত্রীকে, বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের ২০১২ সালের জয়েন্ট ইশতহোরে উল্লেখিত তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে সহযোগিতা করার বিষয়টি উল্লেখ করেন। বঙ্গোপসাগরের অফসুরে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে থাইল্যান্ডের অনুসন্ধান ও উৎপাদন কোম্পানি পিটিটিকে বিডে অংশ গ্রহণের আহ্বান জানান। এ সময় জ্বালানি সাশ্রয় ও জ্বালানি সাশ্রয়ী ব্যবহারে থাইল্যান্ডের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা কামনা করেন।
থাইল্যান্ডের জ্বালানি মন্ত্রী, বিদ্যমান চমৎকার দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, 'কয়লা, গ্যাস ও তেল ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এবং বিদ্যুৎ সঞ্চালন সিস্টেমে বিনিয়োগ করতে থাইল্যান্ডের গভীর আগ্রহ রয়েছে।' এ প্রসঙ্গে ভারত ও জাপানে থাইল্যান্ডের কোম্পানিগুলোর কাজ করার বিষয়টি তিনি উল্লেখ করেন। তিনি উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ভবিষ্যতে বঙ্গোপসাগরে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে অংশগ্রহণ করবেন বলে জানান। প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়িতে তিনি বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
উভয় পক্ষ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বিনিয়োগ ও কারিগরি সহযোগিতার আরো সম্ভাবনা খুঁজে বের করতে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ড উভয় দেশ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি প্রেরণের সম্পত্তি প্রদান করেছেন। এ সময় অন্যান্যের মাঝে থাইল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সাইদা তাসনীম মুনা ও থাই জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।