শনিবার শেষ হচ্ছে জাতীয় পর্যায়ের গ্রামীণ খেলাধুলা প্রতিযোগিতা। বৃহস্পতিবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানানো হয়।
এ সময় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব (যুগ্ম সচিব) অশোক কুমার বিশ্বাস বলেছেন, ‘গ্রাম-বাংলার ক্রীড়াঙ্গনের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে সরকার ৩ বছর মেয়াদী গ্রামীণ খেলাধুলা প্রতিযোগিতা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ৪ জুন ২০১৬, শনিবার দিনব্যাপী বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে গ্রামীণ খেলাধুলা প্রতিযোগিতা (জাতীয় পর্যায়) সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
এই আয়োজনে ৭টি বিভাগীয় দলের ২ শতাধিক ক্রীড়াবিদ অংশ নেবেন। ইভেন্টগুলো হলো, বালক (দলীয়) : হা-ডু-ডু, দাঁড়িয়াবান্ধা, সাতচাড়া; বালক (একক) : মোরগলড়াই, তৈলাক্ত বাঁশে ওঠা; বালিকা বিভাগে দলীয় ইভেন্টগুলো হচ্ছে গোল্লাছুট, বউ-চি, কানামাছি ভোঁ ভোঁ এবং একক ইভেন্ট এক্কা-দোক্কা, দড়িলাফ।’
এক প্রশ্নের উত্তরে সচিব (যুগ্ম সচিব) অশোক কুমার বিশ্বাস বলেছেন, ‘এই প্রতিযোগিতায় ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, বরিশাল ও সিলেট এই ৭ বিভাগের সেরা ২১০ জন ক্রীড়াবিদ অংশ নেবেন। অংশগ্রহণকারী প্রতি দলে থাকছে মোট ৩০ জন খেলোয়াড়। এদের মধ্যে ১৫ জন বালক ও ১৫ জন বালিকা। এ ছাড়া প্রতি দলে মোট ৩ জন করে কর্মকর্তা রয়েছেন।’
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে সচিব (যুগ্ম সচিব) অশোক কুমার বিশ্বাস বলেছেন, ‘এই কর্মসূচির জন্য ৬ কোটি ৬৬ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ৩ আর্থিক বছরে বরাদ্দ রাখা হয়। প্রথম অর্থবছর ২০১১-১২ এ ১৮টি জেলার ১৪৭টি উপজেলা ও ১৩৬৬ ইউনিয়নে ২ কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা; দ্বিতীয় অর্থবছরে (২০১২-১৩) মোট ২৩টি জেলার ১৮৫টি উপজেলা এবং ১৭৮৭টি ইউনিয়নে জন্য ২ কোটি ২৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং তৃতীয় অর্থাৎ শেষ অর্থ বছরে (২০১৩-১৪) অবশিষ্ট ২৩টি জেলায় ১৫০টি উপজেলা ও ১৩৯২ ইউনিয়নে ২ কোটি ১১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
সমাপনী অনুষ্ঠানের সহযোগী প্রতিষ্ঠান দ্য ব্লেজার বিডি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী রাজীব উদ্দীন আহমেদ চপল এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (ক্রীড়া) যুগ্ম সচিব ও গ্রামীণ খেলাধুলা প্রতিযোগিতা কর্মসূচি পরিচালক দীল মোহাম্মদ বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) নারায়ণ চন্দ্র দেবনাথসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।