ঈদের ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক কাভার্ড ভ্যান চলাচল বন্ধ

 
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কগুলো যানজটমুক্ত রাখতে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও লরি চলাচল ৬ দিন (ঈদের আগে তিন ও পরের তিন দিন) বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি  ঈদকে ঘিরে ১০ দিন (১ থেকে ১০ জুলাই) দেশের সব সিএনজি ফিলিং স্টেশন ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখা হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর রমনায় একটি রেস্টুরেন্টে আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সড়ক, নৌ ও রেলপথে যাত্রীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য, পচনশীল দ্রব্য, গার্মেন্টস সামগ্রী, ওষুধ, কাঁচা চামড়া এবং জ্বালানি বহনকারী যানবাহনগুলো এর আওতামুক্ত থাকবে বলে তিনি জানান।
 
মহাসড়কে যানজট ও দুর্ঘটনামুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন,  মহাসড়কগুলোতে যাতে যানজট সৃষ্টি না হয় তা নিশ্চিত করা হবে। দুর্ঘটনায় পতিত গাড়ি দ্রুত অপসারণের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক রেকার ও ক্রেন প্রস্তুত রাখা হবে। বঙ্গবন্ধু সেতু, মেঘনা সেতু ও গোমতি সেতুসহ সকল গুরুত্বপূর্ণ সেতুর টোল ২৪ ঘণ্টা চালু রাখা হবে। আসন্ন ঈদে বাসভাড়া না বাড়াতে মালিকদের অনুরোধ জানান মন্ত্রী।
 
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ঈদে পর্যায়ক্রমে গার্মেন্টসগুলো ছুটি দেয়ার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ঘরমুখো যাত্রীদের চাপ কমানোর লক্ষ্যে গার্মেন্টস কর্তৃপক্ষকে ভিন্ন ভিন্ন দিনে ছুটি প্রদান করতে এবং ভিন্ন ভিন্ন দিনে খুলতে অনুরোধ করা হলো। 
 
সভায় রেলপথমন্ত্রী মুজিবুল হক জানান, প্রতিবারের  মতো এবারও ঈদ উপলক্ষে স্পেশাল ট্রেনের ব্যবস্থা থাকবে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনীর বাড়তি সদস্য কাজ করবে বলেও জানান তিনি।
 
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, আগামী ৩০ জুনের মধ্যেই দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের  আওতাধীন সকল মেরামত কাজ শেষ হবে। সকল ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা মেরামত এবং অব্যবহূত নির্মাণ সামগ্রী দ্রুত অপসারণ করে  যানচলাচলের জন্য উপযুক্ত করা হবে।
 
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াত আইভী বলেন, আমাদের বেশকিছু সমস্যা রয়েছে। নারায়ণগঞ্জে গাড়ি রাখার জায়গা নেই, এমনকি ময়লা ফেলারও জায়গা নেই। তবে আমরা এ লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। শিগগিরই এ সমস্যার সমাধান হবে।’ এ সময় নারায়ণগঞ্জে অবৈধ ট্রাক স্ট্যান্ড উচ্ছেদের দাবি জানান আইভী। সভায় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, বিভাগীয় প্রতিনিধি ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা।