উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে মথুরা যখন অগ্নিগর্ভ, সেই সময় নিজের ছবি টুইটারে পোস্ট করে তুমূল সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন অভিনেত্রী হেমা মালিনী। এর মাত্র একদিন পরই বিজেপির প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্ব দিলেন মাথুরার এই সাংসদ। এর পাশাপাশি টুইটারে পোস্ট করা সবকটি ছবিও মুছে ফেলেছেন তিনি। খবর এনডিটিভি ও আনন্দবাজার পত্রিকার।
শুধুই ‘ড্রিম গার্ল’ হলে কোনো সমস্যা ছিল না। হেমা মালিনী এখন মথুরার সাংসদও। বিজেপির টিকিটে জিতে লোকসভায় এসেছেন। তার এলাকায় যখন গোলাগুলি চলছে, তখন তিনি মোটরবোটে চেপে মুম্বাই থেকে মাঢ় আইল্যান্ডে যাচ্ছেন। আর সেই ছবি টুইটারে দিয়ে বলছেন, মুম্বাই থেকে মাড় আইল্যান্ডে শ্যুটিং করতে যাওয়া এখন কতই না সহজ হয়ে গিয়েছে। ওই টুইটার বার্তায় ‘এক থি রানি’ ছবিটি শীঘ্রই মুক্তি পাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন হেমা।
মথুরায় যখন এমন জটিল পরিস্থিতি, সাংসদ হেমা ঘটনাস্থলে না এসে বা পরিস্থিতির প্রতি নজর না রেখে কীভাবে টুইটারে এমন পোস্ট করতে পারেন তা নিয়ে শুরু হয় সমালোচনা। টুইটার-সোশ্যাল মিডিয়ায় মথুরার সাংসদকে নিয়ে চরম বিদ্রূপ-কটাক্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ছবিগুলো অ্যাকাউন্ট থেকে মুছে ফেলেন তিনি। বিজেপির উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশ পেয়ে মুম্বাই থেকে দিল্লির বিমান ধরেন হেমা। এরপর মাথুরায় পৌঁছে গতকাল শনিবার ওই ঘটনা নিয়ে বিজেপির প্রতিবাদ মিছিলেরও নেতৃত্ব দেন হেমা মালিনী। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘শ্যুটিংয়ে গিয়েছিলাম। কী ভাবে জানব যে এমন ঘটনা ঘটবে? মথুরা থেকে আমাদের লোকরা জানাল যে ওখানে আমার যাওয়ার দরকার নেই। ওরাই সব সামলে নেবে।’