গণমাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়েছিল যে ইউরো ২০১৬ আসরের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন স্পেন যৌন নিপীড়নের অভিযোগে দলের সেরা গোলরক্ষক ডেভিড ডি গিয়াকে যৌন হয়রানির দায়ে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তবে,এমন খবর পুরোটাই ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন দেশটির ফুটবল ফেডারেশন।
দেশটির ফুটবল ফেডারেশন থেকে আরও জানানো হয়, ডি গিয়াকে ফ্রান্স থেকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়নি। সে দলের সঙ্গে অনুশীলন করছে আর সুযোগ হলে মাঠেও নামবে। তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির যে অভিযোগ উঠেছে তা পুরোটাই বানোয়াট। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম গুলোতে জানানো হয়, ২০১২ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের গোলরক্ষক ডি গিয়া এবং অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার ইকার মুনিয়ান অপ্রাপ্ত বয়স্ক এক নারীর সঙ্গে যৌনমিলনে আবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করেন। জোরপূর্বক এমন ঘটনায় ঔ নারী পরে স্থানীয় পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। অভিযোগে স্পেন জাতীয় দলের আরেক তারকা ইসকোর নামও উঠে আসে।
এতদিন পর অভিযোগ আমলে এনে পুলিশি তদন্ত শুরু হওয়ায় ডি গিয়াকে ইউরো আসরে না খেলিয়ে স্পেনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে-এমন খবরে বেশ চটেছেন ডি গিয়া নিজেই। তিনি জানান, প্রথমে আমি খবরটি শুনে অবাক হয়েছি। আমি ঔ রিপোর্টের মতো বাজে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। তাই এসবে আমি ভীত নই। আমি জাতীয় দলের অনুশীলনে আরও বেশি মনোযোগী। এসব খবর সম্পূর্ণই বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
তিনি আরও যোগ করেন, আমি আমার আইনজীবীকে ঘটনাটির বিস্তারিত খুলে বলেছি। তিনি আইনের শুদ্ধ পথে বিষয়টির দেখভাল করবেন। তবে, এমন অভিযোগ যদি সত্যিই হয়ে থাকে আমি বলবো আমার নামটি সেখানে ভুলে দেওয়া হয়েছে। এটা আসলেই মস্ত বড় ভুল। গোল.কম।