কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় ষষ্ঠ ধাপে গত ৪জুন ২২টি ইউনিয়নের মধ্যে ২০ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ১২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। প্রার্থীদের মধ্যে ৭৬ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
এর মধ্যে বিএনপি মনোনীত চেয়ারম্যান ১৩ জন, জাসদের মনোনীত চেয়ারম্যান পদে একজন, ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত চেয়ারম্যান পদে চারজন জাতিয়পাটির মনোনীত চেয়ারম্যান পদে দুইজন ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদে ৫৬ জন রয়েছে।
মুরাদনগর উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, জামানত বাজেয়াপ্ত চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হচ্ছেন, শ্রীকাইল ইউনিয়ন হতে ৮জন, মো. খাইরুল ইসলাম (জাবেদ), ইবনে সাইদ খন্দকার, কাজী মো. হাবিবুর রহমান, মুহাম্মদ বশির, মোহাম্মদ নুরুল মোমেন, আবু হানিফ, শাহ আলম সরকার, শাহজাহান।
আকুবপুর ইউনিয়ন হতে ৫জন, মেহেদী আহম্মেদ রফিক, কামরুল হাছান, শাহ আলম সরকার, রজ্জব হোসেন রাজু, মো. শাহ আলম সরকার। আন্দিকোট ইউনিয়ন হতে তিনজন, নোয়াব সরকার, মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বাবু, মো. জাকির হোসেন। পূর্বধইর পূর্ব ইউনিয়ন হতে ৭জন, কুদ্দুছ, ফখরুদ্দিন রিয়াদ, মো. আবিদ হোসেন, মশিউর রহমান, শুকুমার শিব, সৈয়দ মুজিবুর রহমান, সৈয়দ মোবারক হোসেন।
বাঙ্গরা পূর্ব ইউনিয়ন থেকে দুইজন, আক্তারুজ্জামান, আব্দুল হাকিম, বাঙ্গরা পশ্চিম ইউনিয়ন থেকে দুইজন, নুরুল ইসলাম সরকার, রোবেল খাঁন জয়।
চাপিতলা ইউনিয়ন থেকে ৮জন, জহিরুল ইসলাম সরকার, কামরুল হাসান ভূঁইয়া, রেজাউল করিম ভূঁইয়া, আব্দুল বাতেন, মো. আরঙ্গীর ভূঁইয়া, এম এ হাছিব, ফেরদৌস ভূঁইয়া, মামুনুর রশিদ ভূঁইয়া। কামাল্লা ইউনিয়ন থেকে দুইজন, ময়নল হোসেন, ফেরদৌস আলম, যাত্রাপুর ইউনিয়ন থেকে দুইজন, মির্জা আবুল হাসেম, সফিকুল ইসলাম।
রামচন্দ্রপুর দক্ষিন ইউনিয়ন থেকে ৪জন, অঅব্দুল মালেক, আমির হোসেন, মো. আসাদুল হক, মঙ্গল মিয়া। নবীপুর পূর্ব ইউনিয়ন থেকে ৪জন, এম কে নাজমুল হাছান, কাজী নজরুল ইসলাম, খলিল, মো. হেলাল উদ্দিন। নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়ন থেকে দুইজন, কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া, হাবিবুর রহমান।
ধামঘর ইউনিয়ন থেকে ৪ জন, মো. কাইয়ূম, শাহজাহান খাঁন, সাইদুর রহমান সুমন, সোহেল। জাহাপুর ইউনিয়ন থেকে আনোয়ার হোসেন, সৈয়দ তৌফিক আহাম্মদ। ছালিয়াকান্দি ইউনিয়ন থেকে ৪জন, মিজানুর রহমান মনির, শরীফ হোসেন সরকার, রতন কুমার রায়, সৈয়দ মোস্তাক আহম্মেদ।
দারোরা ইউনিয়ন থেকে ৬জন, এইচ এম ইকবাল মোর্শেদ, কুদ্দুছ মিয়া, জাকির হোসেন, শরিফুল আলম চৌধুরী, কামাল উদ্দিন খন্দকার, দেলোয়ার হোসেন। পাহাড়পুর ইউনিয়ন থেকে ৩জন, ছামছুল আলম (তোফায়েল) সিকদার, বসির আহম্মেদ।
বাবুটিপাড়া ইউনিয়ন থেকে ৩জন, এরশাদ হোসেন, জয়নাল আবেদিন, সালাহ্ উদ্দিন মুন্সী। টনকি ইউনিয়ন থেকে ৫জন, তৌফিকুল ইসলাম, আজাদ মিয়া, আবু বকর সিদ্দিক, নজরুল ইসলাম মাষ্টার, শাহ আলম।
এ ব্যাপারে মুরাদনগর উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মাসুদুল হক বলেন, কোনো চেয়ারম্যান প্রার্থী তার নিজ নির্বাচনীয় এলাকায় ভোটের মাধ্যমে মোট ভোটার সংখ্যার আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে সেই চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। সে অনুযায়ী ৭৬ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।