ভাগ্যগুণে কোনমতে হার এড়িয়েছে সুইডেন। ইউরো ২০১৬ আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে শুরুতে পিছিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের সমতা নিয়ে রিপাবলিক অব আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠ ছাড়ে সুইডেন।
সাঁ-দেনিতে প্রথমার্ধেই অন্তত চারটি গোলের সুযোগ হাতছাড়া করে আয়ারল্যান্ড। প্লে অফ খেলে চূড়ান্ত পর্বে আসা দুই দলের লড়াইয়ে দশম মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত আইরিশরা। জেফ হেনড্রিকসের শট ফিরিয়ে সেবার দলকে বাঁচান গোলরক্ষক আন্দ্রেয়াস ইসাকসন। এমন অনেক পরীক্ষাই দিতে হয়েছে সুইডেনের গোলরক্ষককে। সাত মিনিট পরের এক আক্রমণে কিছুই করার ছিল না তার। পা ছুঁয়ালেই গোল পেয়ে যেতেন জন ও’শিয়া। সিয়ারান ক্লার্কের হেডে পা ছোঁয়াতেই ব্যর্থ অরক্ষিত এই ডিফেন্ডার।
প্রথমার্ধে আরো দুইবার গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেও সাফল্য পায়নি আয়ারল্যান্ড। ২৯তম মিনিটে অল্পের জন্য লক্ষ্যে থাকেনি ২৫ গজ দূর থেকে রবি ব্র্যাডির শট। তিন মিনিট পর গোলরক্ষককে ফাঁকি দেন হেনড্রিক; কিন্তু বারে লেগে ব্যর্থ হয় তার সেই প্রচেষ্টা।
প্রথমার্ধে বলের জন্য অনেক নিচে নেমে আসতে হয় ইব্রাহিমোভিচকে। বল দখলে রাখার হিসেবে অবশ্য এই অর্ধে এগিয়ে ছিল সুইডেন, কিন্তু তেমন কোনো সুযোগই তৈরি করতে পারেনি তারা।
দ্বিতীয়ার্ধে আর বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি আয়ারল্যান্ডকে। ৪৮তম মিনিটে দারুণ এক গোলে দলকে এগিয়ে দেন ওয়েস হুলাহান। সিমান কোলম্যানের দারুণ ক্রসে তার জোরালো হাফভলি ফেরানোর কোনো সুযোগই ছিল না সুইডেনের গোলরক্ষকের। পিছিয়ে পড়ার পর যেন জেগে উঠে সুইডেন। কিন্তু গোলের কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না তারা। আয়াল্যান্ডরে রক্ষণে গিয়ে ভেঙে যাচ্ছিল তাদের আক্রমণগুলো।
এমনই একটি আক্রমণ থেকে ইব্রাহিমোভিচ দেখান তার সামর্থ্য। বাছাইপর্বে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোল করা এই স্ট্রাইকার বিপজ্জনক এক ক্রসে পরীক্ষায় ফেলেন আয়ারল্যান্ডকে। বল বিপদমুক্ত করতে গিয়ে নিজেদের জালে পাঠিয়ে দেন ক্লার্ক।
বাঁদিক দিয়ে একের পর এক আক্রমণে যাওয়া আয়ারল্যান্ড আর ভাঙতে পারেনি সুইডেনের প্রতিরোধ। ইব্রাহিমোভিচরাও পারেননি প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠাতে। দুই দলের লড়াই তাই শেষ হয় সমতায়। বিডি নিউজ।