আগামী ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের বাজেটে পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন খাতে শহরাঞ্চলে মাথাপিছু এক হাজার ১২১ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে গ্রামাঞ্চলে বরাদ্দ মাত্র ৫৫ টাকা। এতে করে এ খাতে বাজেট বরাদ্দের ৮৬ ভাগই চলে গেছে শহরে। অপরদিকে সামগ্রিকভাবে পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন খাতে ৩০৩ টাকা বরাদ্দ করা হলেও যা এমডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের একতৃতীয়াংশ।
মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে প্রস্তাবিত বাজেটে পানি ও স্যানিটেশন খাতে অসমতা কমানোর দাবী জানিয়ে বৈষম্যের এই চিত্র তুলে ধরেছে পানি ও স্যানিটেশন খাত নিয়ে কাজ করা নয়টি নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠান।
সম্মেলনে মূল বক্তব্যে এন্ড ওয়াটার পভার্টির বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও ড্রপ এর গবেষণা প্রধান মোহাম্মদ যোবায়ের হাসান বলেন, উন্নয়ন বাজেটে পানি ও স্যানিটেশন খাতে চারটি প্রকল্প তালিকাভুক্ত করা হলেও তার জন্য অর্থ বরাদ্দ করা হয়নি। তবে বাজেটে দুর্গম এলাকার জনগণের পানি ও স্যানিটেশনের জন্য ৫শ কোটি টাকার একটি প্রকল্প রাখা হয়েছে, যা আশাব্যঞ্জক।
দুস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের নির্বাহী প্রধান ডা. দিবালোক সিংহর পরিচালনায় সম্মেলনে ওয়াটার এইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. খায়রুল ইসলাম, ইউনিসেফের মনিরুল আলম, ওয়াটার সাপ্লাই এন্ড স্যানিটেশন কোলাবোরেটিভ কাউন্সিলের শাহ আনোয়ার কামাল, ফ্রেশ ওয়াটার একশন নেটওয়ার্ক সাউথ এশিয়ার ইয়াকুব হোসেন, বাংলাদেশ ওয়াস অ্যালায়েন্সের অলক কুমার মজুমদার, বাংলাদেশ ওয়াটার ইন্টেগ্রিটি নেটওয়ার্কের রেজওয়ারুল আলম ও এনজিও ফোরামের জোসেফ হালদার মতামত তুলে ধরেন।