নিউমার্কেটের নিউ আলীশান টেইলার্সের রবিউল আওয়াল জানান, তার দোকানে রোজার কয়েক দিন আগে থেকেই কাজের অর্ডার শুরু হয়। মেয়েদের কাজই বেশি। এবার মেয়েদের জিপসি ও লেহাঙ্গা তৈরিতে মজুরি খরচ নেয়া হচ্ছে ৬৫০ টাকা
আসন্ন ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের চারটি অভিজাত মার্কেটসহ বিভিন্ন এলাকার তিন শতাধিক পোশাক কারিগর।
এর মধ্যে শুধু শহরের অভিজাত মার্কেট বলে খ্যাত নিউ মার্কেট, ক্লাব সুপার মার্কেট, ডিসি মার্কেট ও পুরাতন বাজারের দোকানগুলোতে পোশাক তৈরি করছেন প্রায় ২৫০ জন কারিগর।
কারিগররা জানিয়েছেন, পুরোপুরি ব্যস্ত হতে আরও কয়েকদিন লাগবে। তখন ভালোভাবে জমে উঠবে বিভিন্ন ধরনের পোশাক তৈরির কাজ। নিউমার্কেটের নিউ আলীশান টেইলার্সের রবিউল আওয়াল জানান, তার দোকানে রোজার কয়েক দিন আগে থেকেই কাজের অর্ডার শুরু হয়। তার দোকানে মেয়েদের কাজই বেশি। এবার তার দোকানে মেয়েদের জিপসি ও লেহাঙ্গা নামে পোশাক তৈরিতে মজুরি খরচ নেয়া হচ্ছে ৬৫০ টাকা। এবার তিনি দুইশ জিপসি তৈরি করবেন বলে জানান। রুনা টেইলার্সের জান্নাতুন ফেরদৌস জানান, তার দোকানে মেয়েদের বিভিন্ন ধরনের থ্রি পিস তৈরি হচ্ছে বেশি। প্রতিটি থ্রি পিসে খরচ পড়ছে ২৫০ থেকে তিনশ টাকা। লেডিস ফ্যাশনের মালিক কামরুজ্জামান জানান, তিনি তৈরি করছেন বোরখা ও থ্রি পিস। প্রতিটি থ্রি পিস তৈরিতে মজুরি বাবদ খরচ হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৬০ টাকা এবং বোরখা তৈরিতে মজুরি ধরা হচ্ছে ২৩০ টাকা। ঈদকে সামনে রেখে তিনি অন্তত দুইশ পিস পোশাক তৈরি করতে পারবেন বলে জানান।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা দর্জি মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম রসুল ও জেলা দর্জি কারিগর সমিতির সভাপতি সাদেকুল ইসলাম জানান, সমিতিভুক্ত ২২০ জনসহ নিউমার্কেট, ক্লাব সুপার মার্কেট ও পুরাতন বাজারসহ দর্জি কারিগর রয়েছেন প্রায় সাড়ে তিনশ। ঈদকে সামনে রেখে তারা এখন ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন পোশাক তৈরির কাজে। তিনি বলেন, অন্যান্য বছর কারিগরদের মজুরি নিয়ে ঝামেলা হলেও এবার গত ফেব্রুয়ারি মাসেই মজুরি পুনঃনির্ধারণ করা হয়। ফলে এবার এ নিয়ে কোনো ঝামেলা নেই। এবারও তাদের জন্য দুই থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত মজুরি বাড়ানো হয়েছে।