মাতৃত্বকালীন ভাতা কার্যক্রম আরো সম্প্রসারণ করা হবে: চুমকি

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বলেছেন, 'এসডিজির লক্ষ্য অর্জনে দারিদ্র্য বিমোচনে মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রাপ্ত মায়েদের জন্য 'স্বপ্ন প্যাকেজ' কর্মসূচি আরো সম্প্রসারণ করা হবে।
 
মন্ত্রী বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে 'দারিদ্র্য বিমোচনে মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রাপ্ত মা'দের জন্য 'স্বপ্ন প্যাকেজ' কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, "সরকার ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে দরিদ্র মায়েদের জন্য 'মাতৃত্বকালীন ভাতা' ভোগীর সংখ্যা ৯০ শতাংশ বাড়িয়ে ৫ লাখে উন্নীত করেছে। এই ভাতা কেন্দ্রিক 'স্বপ্ন প্যাকেজ' কর্মসূচির মনিটরিংকে গুরুত্ব দিতে হবে।"
 
দেশে দারিদ্র্যের হার ক্রমশ কমে আসছে। এখন মানব সম্পদকে আরো দক্ষ ও যোগ্য করে তুলতে হবে উল্লেখ করে চুমকি বলেন, '২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে সরকারের এ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।'
 
মন্ত্রী বলেন, 'মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। উপজেলা পর্যায়ে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাদের দক্ষতা ও সম্মান আগের থেকে অনেক বেড়েছে। তাদেরকে দক্ষতার পরিচয় দিয়ে, সততার সাথে কাজ করে যেতে হবে।'
 
সমাজে নারীদেরকে আরো দক্ষ হয়ে গড়ে উঠতে হবে। পরিবারে নারীর সম্মান বাড়ানোর পাশাপাশি সমাজে নারীর প্রতি পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গিরও পরিবর্তন আনতে হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি । মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহিন আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাছিমা বেগম, একই মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বিকাশ কিশোর দাস, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, ‘স্বপ্ন প্যাকেজ’ কর্মসূচীর প্রকল্প পরিচালক পারভিন সুলতানা, স্বপ্ন প্যাকেজ মডেলের উদ্ভাবক ও ডরপ এর প্রতিষ্ঠাতা এএইচএম নোমান।
 
পাঁচটি ভিত্তি সম্বলিত সোস্যাল এসিসট্যান্স প্রোগ্রাম ফর নন-এ্যাসেটার্স (স্বপ্ন) প্যাকেজ কর্মসূচি মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর দেশের সাতটি বিভাগের ১০টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করছে। বেসরকারি সংস্থা ডরপ এ কাজের সমন্বয় ও সহযোগিতার দায়িত্ব পালন করছে।