টেকসই উন্নয়ন অর্জন এজেন্ডা (এসডিজি) ২০৩০ বাস্তবায়নে বিভিন্ন পর্যায়ে সরকারের পাশাপাশি সক্রিয় ভূমিকা রাখতে এবং এই প্রক্রিয়ার জবাদিহিতা নিশ্চিত করতে দেশের নাগরিক সমাজের তত্ত্বাবধানে ‘এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ’ নামে নতুন এক সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে।
এ সংগঠনের আহবায়ক হলেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) এর ফেলো ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। সমন্বয়কের দায়িত্বে আছেন আনিসাতুল ফাতেমা ইউসুফ। শনিবার সিরডাপ মিলনায়তনে নতুন এই প্ল্যাটফর্ম আত্মপ্রকাশের ঘোষণা দেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, এসডিজি ২০৩০-এ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ১৭টি লক্ষ্য এবং ১৬৯টি অভিষ্ট, যা সম্মিলিতভাবে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। আর এ লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের ব্যাপকতার দিকটি বিবেচনা করলে এটি নিশ্চিতভাবেই বলা যায়, এ প্রক্রিয়ায় সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সংস্থা এবং নাগরিক সমাজের যথাযথ অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। সেই বিবেচনায় ওই এজেন্ডা বাস্তবায়নে সরকারকে সহযোগিতা করতেই নতুন প্ল্যাটফর্ম গঠন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এ প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশের এসডিজি বাস্তবায়নের অগ্রগতি ও মাত্রা পর্যবেক্ষণ এবং বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জগুলোর বিষয়ে নীতিনির্ধারকদের সচেতন করবে যাতে বিনিয়োগকৃত অর্থের সুষ্ঠু ব্যবহার সম্ভব হয়। সেই সঙ্গে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও সামাজিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং এসডিজি বাস্তবায়নকারী সকল প্রতিষ্ঠান ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট পক্ষের মধ্যে তথ্য বিনিময়সহ সার্বিক সমন্বয় সাধনে এ প্ল্যাটফর্ম সহায়তা করবে।
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এসডিজি যেমন বৈশ্বিকভাবে সার্বজনীন, তেমনি জাতীয়ভাবেও। এ লক্ষ্য অর্জনে আমরা সরকারের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করব। পাশাপাশি যেখানে ঘাটতি থাকবে সেখানে আমরা সরকারের সমালোচনা করব।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তৃতা করেন এ প্ল্যাটফর্মেরই কোর কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টান্যাশনালের প্রধান নির্বাহী ড. ইফতেখারুজ্জামান, সিপিডির নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।-বাসস।