ম্যাচ ফিক্সারদের আজীবন নিষিদ্ধ করা উচিত : আমির

ম্যাচ ফিক্সারদের আজীবন নিষিদ্ধের পক্ষে পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ আমির। ইংল্যান্ড সফরে ২০১০ সালে স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারির ঘটিয়ে জেল খাটা ও পাঁচ বছেরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আবারো লর্ডস টেস্টের মাধ্যমে লংগার ভার্সনের ক্রিকেটে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন আমির।
 
ম্যাচ ফিক্সিংকারী যে কোন খেলোয়াড়কে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা উচিত বলে সম্প্রতি ইংল্যান্ড অধিনায়ক এলিস্টার কুকের মন্তব্যকে সমর্থন করেছেন বাঁ-হাতি এ ফাস্ট বোলার। তিনি বলেন, ‘এখনো যদি ফিক্সিং চলতে থাকে তবে অবশ্যই সেটা দু:শ্চিন্তার।’
 
চার টেস্টের সিরিজ খেলতে ইংল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগে তিনি আরো বলেন, ‘ফিক্সারদের আজীবন নিষিদ্ধ করাকে আমি আমি পুরোপুরি সমর্থন করি।’
 
আবারো সেই বিখ্যাত লর্ডসে সমর্থকদের কাছ থেকে খুব ভাল আচরণ আশা করতে পারেন না ২৪ বছর বয়সী এ ক্রিকেটার। তবে নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে গত জানুয়ারি মাসে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরা আমিরের বিরুদ্ধে খেলতে তার কোন সমস্যা নেই বলেও চলতি মাসের প্রথম দিকে জানিয়েছিলেন কুক।
 
তৎকালীন অধিনায়ক সালমান বাটের নির্দেশে আমির এবং আরেক পেসার মোহাম্মদ আসিফ ইচ্ছাকৃত নো বল করেছিলেন। ফলে তিন জনকেই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) পাঁচ বছরের জন্য খেলায় নিষিদ্ধ করে এবং স্পোর্টস এজেন্ট মাজহার মজিদসহ সকলকেই জেল খাটতে হয়।
 
আমির বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে আবার ফিরতে পারব- এমনটা কখনোই আমি চিন্তা করিনি এবং আবারো টেস্ট ক্রিকেট খেলার সুযোগ পাওয়ায় আমি খুবই ভাগ্যবান মনে করছি। টেস্ট ক্রিকেটের জন্য আমি সবচেয়ে বেশি এক্সাইটেড ছিলাম। কেননা এখানেই আমার ক্যারিয়ার থমকে গিয়েছিল এবং আবারো সেটা খেলতে পারছি এখনো আমার তা বিশ্বাস হচ্ছে না।’
 
লর্ডসে ২০১০ সালের সেই কলঙ্কিত টেস্টে ৮৪ রানে ৬ উইকেট শিকার করে অনার্স বোর্ডে নাম লেখানো আমির বলেন, ‘২০১০সালের সেই স্মৃতি এখনো আমার মনে আছে। কিন্তু আমি ভাল পারফর্ম করতে চাই, আবারো একবার লর্ডসের অনার্স বোর্ডে নিজের নাম লেখাতে চাই।’