রহমতগঞ্জকে হারিয়ে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় দল হিসেবে সেমিফাইনালে উঠলো শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র। শনিবার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে পল এমিলির দেওয়া অতিরিক্ত সময়ের গোলে ১-০ জয় পায় শেখ রাসেল।
কিক অফের শুরু থেকে সমানতালেই লড়তে থাকে দুই দল। ফরোয়ার্ডরা বেশ ভালো খেললেও রক্ষণভাগের গড়া দেয়ালে পুরো প্রথমার্ধে ফাটল ধরাতে পারেনি কেউই।
ম্যাচের প্রথমার্ধে আক্রমণ হয়েছে তিনটি। এরমধ্যে দুটি শেখ রাসেলের আর অপরটি ছিল রহমতগঞ্জের। পরে ৬৬ মিনিটের মাথায় মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে দারুণভাবে শেখ রাসেলের ডি-বক্সের ভেতরে গেলেও বিলাসি এক শট নিয়ে গোলবারের উপর দিয়ে বল পাঠিয়ে দেন রহমতগঞ্জের খেলোয়াড়।
পরের সুযোগটি আসে শেখ রাসেল শিবিরে। ৭৬ মিনিটে মোনায়েম খান রাজু আবার বল নিয়ে যান রহমতগঞ্জ সীমানায়। দারুণ এক ক্রসও তুলেছিলেন কিন্তু ফরোয়ার্ড ইকাঙ্গা বলটি মাথায় ঠিকমতো লাগাতে না পারলে গোলের সুযোগ আবারো হাতছাড়া করে রাসেল।
এরপর খেলার নির্ধারিত সময় শেষের মাত্র ১ মিনিট আগে সাইয়ো জুনাপিও একেবারে গোলবারের সামনে থেকেও শট নিয়েছিলেন। কিন্তু শেখ রাসেল গোলরক্ষক লিটন বলটি প্রতিহত করলে হতাশা নেমে আসে কামাল আহমেদ বাবুর শিষ্যদের মাঝে। নির্ধারিত সময়ে গোল না হলে খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।
অতিরিক্ত সময়ের শুরু থেকেই গতিময় খেলা উপহার দিয়েছে রহমতগঞ্জ। কিন্তু ফলাফল গিয়েছে শেখ রাসেল শিবিরে। অতিরিক্ত সময়ের ১১ মিনিটে পাল্টা আক্রমণ থেকে পল এমিলি একক প্রচেষ্টায় রহমতগঞ্জের গোলরক্ষককে সম্পূর্ণ পরাস্ত করে জালে বল জড়ান। ফলে, ১-০ তে এগিয়ে যায় শেখ রাসেল।
শেষ পর্যন্ত এক গোলের জয় নিয়েই সেমিফাইনালে পৌছে যায় শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র।