‘সরকার সন্ত্রাস এবং জঙ্গিবাদ নির্মূলে বদ্ধপরিকর’

 
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেছেন, বর্তমান সরকার সন্ত্রাস এবং জঙ্গিবাদ নির্মূলে বদ্ধপরিকর। রবিবার সংসদে সরকারি দলের সদস্য এম আবদুল লতিফের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথা বলেন।
 
মাহমুদ আলী বলেন, বাংলাদেশ সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী বৈশ্বিক ও আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। এর অংশ হিসেবে ভারতের সঙ্গেও বাংলাদেশের নিরাপত্তা ক্ষেত্রে জোর সহযোগিতা বিদ্যমান যার আওতায় দ্বি-পাক্ষিক পর্যায়ে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ বিরোধী কর্মকান্ড পরিচালিত হচ্ছে। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের নিরাপত্তামূলক কয়েকটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি রয়েছে।
 
মন্ত্রী বলেন, অপরাধ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আইনগত সহায়তা প্রদান সংক্রান্ত চুক্তি (এগ্রিমেন্ট অন মিউচুয়াল লিগ্যাল এ্যাসিস্ট্যান্স অন ক্রিমিনাল মেটারস), দুই দেশের সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নিজ দেশের সাজার মেয়াদ ভোগ সংক্রান্ত চুক্তি (এগ্রিমেন্ট অন ট্রান্সফার অব সেন্টেন্সড পারসনস), দুইদেশের মধ্যে সন্ত্রাস, অপরাধ দমন এবং মাদক পাচার রোধ সংক্রান্ত চুক্তি (এগ্রিমেন্ট অন কম্বাটিং ইন্টারন্যাশনাল টেরোরিজম, অর্গানাইজড ক্রাইম এ্যান্ড ইলিচিট ড্রাগ ট্র্যাফিকিং)।
 
তিনি বলেন, বহিঃসমর্পণ চুক্তি (এক্সট্রেডিশন থ্রেটি), মানবপাচার রোধ সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক (মউ বিটুইন বাংলাদেশ এ্যান্ড ইন্ডিয়া অন বিলেটারেল কোঅপারেশন ফর প্রিভেনশন অব হিউম্যান ট্র্যাফিকিং ইস্পেসিয়ালি ট্র্যাফিকিং ইন ওমেন এ্যান্ড চিলড্রেন, রেসকিউ, রিকোভারি, রিপাট্রিয়েশন এ্যান্ড রি-ইন্টিগ্রেশন অব ভিকটিমস অব ট্র্যাফিকিং) এবং জাল নোট প্রচলন রোধ সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ অন প্রিভেনশন অব স্মাগলিং এ্যান্ড সার্কুলেশন অব ফেক কারেন্সি নোটস), মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং বিটুইন কোস্টগার্ডস।
 
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে জাল নোট পাচার ও মানবপাচার রোধকল্পে পৃথক পৃথক যৌথ টাস্কফোর্সসহ আরো বেশ কিছু প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা রয়েছে, যাদের মাধ্যমে সমন্বিত ও সুনির্দিষ্ট কার্যক্রম গৃহীত হচ্ছে। এর ফলে দ্রুত ও খাত ভিত্তিক সুফল পাওয়া যাচ্ছে।
 
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বহিঃসমর্পণ চুক্তির আওতায় এবং অন্যান্য দ্বি-পাক্ষিক ব্যবস্থাধীন পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের অন্যান্য স’ানে আশ্রয় গ্রহণকারী-আটক বাংলাদেশী শীর্ষ সন্ত্রাসী-অপরাধীদের দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া চলমান আছে।-বাসস।