রাজধানীর গণপরিবহনের টিকেটিং প্রক্রিয়া সহজ করতে সার্বজনীন ই-কার্ড চালু হচ্ছে। এই কার্ডটি ‘র্যাপিড পাস’ হিসাবে পরিচিত হবে। এর মাধ্যমে মেট্রোরেল ট্রান্সপোর্ট, বাস র্যাপিড ট্রান্সপোর্ট ও আরো কিছু গণপরিবহনের ভাড়া পরিশোধ করা যাবে।
সোমবার গুলশানে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। জাইকার সহায়তায় ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিএস) যাত্রীদের জন্য এই কার্ড চালু করছে। এ বছরের মধ্যে এই কার্ড চালু হবে। এতে যাত্রীরা একটি কার্ড দিয়ে সকল গণপরিবহনে যাতায়াতের সুবিধা পাবেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জাইকার আবাসিক প্রতিনিধি কিমিকো তুশিয়া, স্মার্ট কার্ড প্রকল্প পরিচালক রফিকুল ইসলাম ও জাইকা অনুষ্ঠান শাখার উপ-কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ বিন হোসেইন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, র্যাপিড পাস কার্ড চালু হলে গণপরিবহনে যাতায়াতে হয়রানি কমে যাবে। এতে উন্নত যাত্রীসেবা নিশ্চিত হবে। র্যাপিড পাস কার্ড চালু করতে ডিটিএস ইতিমধ্যেই যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। চলতি বছরের নভেম্বরে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ও ট্রাস্ট পরিবহন সেবার সহযোগিতায় আরো একটি পাইলট প্রকল্প শুরু হবে। আগামী ২০১৯ সালের মধ্যে প্রায় ১০ লাখ যাত্রীর হাতে এই র্যাপিড পাস পৌঁছে যাবে।