স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম সংসদকে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের সহায়তায় ওষুধ খাতের নৈরাজ্য-অনিয়ম প্রতিরোধে অনলাইন রিপোর্টিং প্রকল্পের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। যা শিগগিরই জনগণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। তখন এই খাতের যে কোনো অনিয়মের বিষয়ে জনগণ জানতে পারবে।
মঙ্গলবার সংসদে টেবিলে উপস্থাপিত প্রশ্নোত্তরে বগুড়া-৫ আসনের হাবিবুর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা জানান।
জাতীয় পার্টির (জাপা) সেলিম উদ্দিনের এক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ নাসিম সংসদকে জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় মুমূর্ষু রোগীদের জরুরি সেবা দিতে হাইওয়ে সংলগ্ন উপজেলা হাসপাতালগুলোতে পর্যায়ক্রমে ট্রমা ইউনিট স্থাপনের বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে।
হাবিবুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তার স্বার্থে দেশে নকল ওষুধ উত্পাদন ও বিক্রয়কারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে এবং এ ব্যবস্থা চলমান রয়েছে।
মন্ত্রী জানান, ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের মে পর্যন্ত সারা দেশে ভেজাল ও নকল ওষুধ উত্পাদন বা বিক্রির দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত ১ হাজার ৯৯৭টি মামলা দায়ের করে ৫ কোটি ৩৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে। ৫৭ জন আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। ৬৮টি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হয়েছে এবং আনুমানিক ২৭ কোটি টাকার ওষুধ জব্দ ও ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়া ওই ১৭ মাসে ভেজাল ও নকল ওষুধ উত্পাদন ও বিক্রির করার দায়ে ড্রাগ কোর্টে ৩৯টি এবং ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে ১৬টি মামলা করা হয়েছে।