বানারীপাড়ায় অনিয়মতান্ত্রিক ও অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে সন্ধ্যা নদীর ভাঙন তীব্র রূপ ধারণ করেছে।
জানা যায়, সন্ধ্যা নদীর তীরবর্তী উত্তর নাজিরপুর, দান্ডয়াট, শিয়ালকাঠি, জম্বদ্বীপ, ব্রাহ্মনকাঠী, ডুমুরিয়া, ইলুহার, ধারালিয়া, বাসার, নলেশ্রী, মসজিদবাড়ি, গোয়াইলবাড়ি, খোদাবকসা, কালির বাজার ও খেজুরবাড়ি গ্রামের কয়েকশ’ একর ফসলি জমি, অসংখ্য বসতবাড়ি, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা, মসজিদ ও মন্দিরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
উপজেলার ইলুহার বিহারীলাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, খোদাবকসা, মিরেরহাট ও জম্বদ্বীপ সাইক্লোন শেল্টার যে কোনো সময় নদীর গর্ভে চলে যেতে পারে বলে ধারণা করছে এলাকাবাসী। হুমকির মুখে রয়েছে খেজুরবাড়ি আবাসন ও উত্তর নাজিরপুর গুচ্ছ গ্রাম।
সন্ধ্যা নদীর অব্যাহত ভাঙনে ইতোমধ্যে বানারীপাড়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে ক্ষতিগ্রস্তরা মানববন্ধন করেছে। নদী ভাঙন রোধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপিও দিয়েছে তারা।
২০১২ সালে তৎকালীন স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. মনিরুল ইসলাম মনি ভাঙন রোধে বালু মহাল ইজারা না দেয়ার জন্য ভূমিমন্ত্রীর কাছে ডিও লেটার দিয়েছিলেন। এতে এলাকায় বালু উত্তোলন বন্ধ থাকে। ওই সময় নদী ভাঙন অনেকটা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।
এলাকাবাসী বর্তমান সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুসের কাছে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধসহ এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার দাবি জানিয়েছে।