বালিয়াকান্দির টুপি রপ্তানি হচ্ছে ওমানে

বালিয়াকান্দির তৈরি টুপি যাচ্ছে ওমানে। ঈদকে সামনে রেখে বালিয়াকান্দি উপজেলার শতাধিক টুপির কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করছেন। আর এ টুপি তৈরির কাজে নিয়োজিত রয়েছেন এলাকার গৃহিনী ও শিক্ষার্থীরা। বছরে দুই ঈদসহ তিনবার টুপিগুলো আন্তর্জাতিক কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ওমানে পাঠানো হয়। এতে একদিকে এলাকায় মহিলারা স্বাবলম্বী হচ্ছে, অন্যদিকে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে। টুপির মহাজন মো. জুলফিকার আলী বলেন, ২০০৪ সাল থেকে টুপির ব্যবসা শুরু। আমার চাচাতো ভাই ওমানে থাকায় টুপিগুলো ওমানে পাঠিয়ে দেই। বর্তমানে বালিয়াকান্দি, তালপট্টি, খাগুরিয়া, মহারাজপুর, বকচর, বেরুলী, হিজলী, সোনাপুর, চরকুলটিয়া, বেতবাড়ীয়া, খড়খড়িয়া, শালমারা, গাড়াকোলা, খালিয়াসহ পাংশা, কালুখালী ও বালিয়াকান্দি উপজেলার ৩০টি গ্রামের সহস্রাধিক কারিগর এ টুপি তৈরি করে উপার্জন করেন। তিনি আরো  জানান, প্রতিটি টুপি তৈরি করতে সাত থেকে আটশ’ টাকা খরচ হয়। টুপিগুলো  দেশি-বিদেশি সুতা ও কাপড় দিয়ে তৈরি করতে হয়।
 
টুপি সেলাইয়ের কাজে নিয়োজিত গৃহবধূ আরজিনা বেগম জানান, সংসারে কাজের পাশাপাশি তিনি টুপির হাসু ভরার কাজ করেন। দিনে দুটি টুপির হাসু ভরা কাজ করে একশ’ টাকা আয় করেন। এতে তার সংসারে দিনে দিনে সচ্ছলতা ফিরে আসছে। সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ঊর্মী জানায়, পড়ালেখার পাশাপাশি অবসরে টুপির হাসু পরানোর কাজ করে। এতে তার পড়ালেখার খরচ হয়ে যাচ্ছে।