অধিকাংশ লাচ্ছা তৈরির কারখানা বিএসটিআই এর অনুমোদন ছাড়া প্রতিষ্ঠিত। নামি-দামি অনেক কোম্পানির লেভেল লাগিয়ে স্থানীয়ভাবে তৈরি এসব লাচ্ছা বাজারজাত করে আসছে মালিকরা। মানুষের খাওয়ার জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এসব লাচ্ছা সেমাই সৈয়দপুর শহরের চাহিদা মিটিয়ে স্থানীয় হাট-বাজার ছাড়াও পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা শহরে অবাধে পাঠানো হচ্ছে। বিশেষ করে ভেজাল বিরোধী অভিযান শিথিল হয়ে পড়ায় লাচ্ছা সেমাই তৈরির ধুম পড়েছে। শহরের অলি-গলিতে অস্থায়ী কারখানায় দিনরাত চলছে সেমাই তৈরির কাজ। আর অধিক মুনাফার আশায় এসব লাচ্ছায় ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্নমানের ময়দা, পামওয়েলসহ পুড়ে যাওয়া তেল। শহরে হাতেগোনা কয়েকটি সেমাই ও লাচ্ছা তৈরির বৈধ কারখানা থাকলেও তারা বিপাকে পড়েছেন মৌসুমী ব্যবসায়ীদের দাপটে। শহরের কাজীহাট, পুরাতন বাবুপাড়া, বাঁশবাড়ি, হাতিখানা, নিয়ামতপুর, মুন্সিপাড়া, গোলাহাটসহ শহরতলীর আনাচে-কানাচে মৌসুমী লাচ্ছা তৈরির কারখানা চালু করা হয়েছে।