দ্বিস্তরের নির্বাচন প্রক্রিয়ার পক্ষে হীরা

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) দ্বিস্তরের নির্বাচক প্রক্রিয়া নিয়ে অনেক সমালোচনা হলেও, একে ভিন্নভাবে দেখছেন সাবেক জাতীয় দলের অধিনায়ক ও ম্যানেজার শফিকুল হক হিরা। তার বিশ্বাস, এ পদ্ধতি দল গঠনে আরো স্বচ্ছতা আনবে।
 
এতদিন একজন প্রধান নির্বাচকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের নির্বাচক কমিটি জাতীয় দল গঠন করতেন। কিন্তু নতুন পদ্ধতিতে তিন সদস্যের এ নির্বাচক কমিটি ছাড়াও দল গঠনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে কোচ, মানেজার ও ক্রিকেট অপারেশন কমিটির চেয়ারম্যানকে।
 
বিশ্বের কোনো এ দেশে এমন নজির না থাকলেও এটার ইতিবাচক দিকই বেশি দেখছেন শফিকুল হক হিরা। তিনি বলেন, আসলে একেক দেশে একেক নিয়ম। বাংলাদেশে আগে এক রকম ছিল, এখন আরেক রকম হয়েছে। আমার মনে হচ্ছে এটা ভালো করবে। এখানে অনেকের অংশগ্রহণ। তাই দল গঠনে আরো স্বচ্ছতা আসবে। পদ্ধতিটা রোল মডেলও হত পারে অন্য দেশের জন্য। 
 
জাতীয় দলের ম্যানেজার নির্বাচক কমিটিতে থাকায় সন্তোষ ব্যক্ত করে হিরা বললেন, ম্যানেজারের নির্বাচক কমিটিতে স্থান পাওয়ার মধ্যে আমি নেতিবাচক কিছু দেখি না। বরং এটা দলের জন্য ভালো বিষয়। খালেদ সুজন খুবই বিচক্ষণ মানুষ। সে খেলোয়াড় হিসেবে খুব লড়াকু ছিল। ম্যানেজার হিসেবে ও ভালো করছে। সে ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালকও। খেলোয়াড়দের সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক। সুজনের নির্বাচক কমিটিতে থাকা দলের জন্য ইতিবাচক হবে।
 
প্রধান নির্বাচক মিনজাজুল আবেদীন নান্নু সম্পর্কে শফিকুল হক হিরা বলেন, টেকনিক্যালি নান্নু বাংলাদেশের সেরা ব্যাটসম্যান। খুবই ঠান্ডা মাথার মানুষ। প্রধান নির্বাচক হিসেবে সে উপযুক্ত ব্যক্তি।