ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে: মৎসমন্ত্রী

 
মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হক বলেছেন, বর্তমানে মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়াধীন মৎস অধিদফতর ও বাংলাদেশ মৎস গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে ইলিশের উত্পাদন বৃদ্ধির জন্য ‘ইলিশ ব্যবস্থাপনা কৌশল’ গ্রহণ করেছে।
 
মঙ্গলবার সংসদে সরকারি দলের সদস্য বজলুল হক হারুনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
 
মোহাম্মদ ছায়েদুল হক বলেন, ইলিশ উত্পাদন বৃদ্ধি করতে গত বছরে আশ্বিনের ভরা পূর্ণিমার আগে তিনদিন, পূর্ণিমার দিন এবং পূর্ণিমার পরে ১১ দিনসহ সর্বমোট ১৫ দিন পর্যন্ত জেলেদের মাছ ধরা থেকে নিষিদ্ধ থাকার নির্দেশনা ছিল। এ বছর মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির পরামর্শে ইলিশ সংরক্ষণ সময়সীমা ১৫ দিন থেকে বাড়িয়ে ২২ দিন যা আশ্বিন মাসের প্রথম পূর্ণিমার পূর্বের চারদিন, পূর্ণিমার দিন ও পূর্ণিমার পরের ১৭ দিনসহ মোট ২২ দিন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
 
মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ‘ইলিশ ব্যবস্থাপনা কৌশল’ হিসেবে ইলিশের অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা, প্রচার ও প্রচারণা, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, বাজার পরিদর্শন, বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সদস্যদের সাথে মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়াধীন মৎস অধিদফতরের কর্মকর্তাগণের অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রয়েছে। 
 
তিনি বলেন, মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়াধীন বাংলাদেশ মৎস গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণালব্ধ ফলাফলের ভিত্তিতে প্রদত্ত সুপারিশসমূহ বাস্তবায়নের ফলে ইলিশের উত্পাদন ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে তিন লাখ ৮৭ হাজার মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে। এতে বাজারে ইলিশের সরবরাহ এবং প্রাপ্যতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ইলিশের উত্পাদন কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে উন্নীতকরণের লক্ষ্যে সরকার ধারাবাহিক গবেষণা পরিচালনার নিমিত্ত নদী কেন্দ্র চাঁদপুরে একটি ইলিশ গবেষণা উইং স্থাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। বিষয়টি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।-বাসস।