বিলুপ্ত প্রায় দেশীয় ৭৮ প্রকার ফলদ, বনজ ও সবজি বীজ বিনিময়, প্রদর্শনী ও বিপণনের জন্য মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার গঙ্গরামপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে গতকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত গ্রামীণ বীজ মেলায় অংশ নিয়েছিল এলাকার ৯৩ জন কৃষাণী। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা লোকজ আয়োজিত মেলার প্রতিটি স্টলে ২৫ থেকে ১১০ জাত ও প্রজাতির বীজ প্রদর্শিত হয়। উন্নয়ন সহযোগী মিজরিওর জার্মানি ও বারসিকের সহযোগিতায় ১০টি কৃষক সংগঠন মেলাটির আয়োজক সহযোগী হিসেবে কাজ করে। লোকজের নির্বাহী পরিচালক দেব প্রসাদ সরকারের সভাপতিত্বে মেলা শেষে এক আলোচনা সভায় অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিল্লাল হোসেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই গাইন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বুলু রায় গাঙ্গলী, ওসি (তদন্ত) এনামুল হক, গঙ্গারামপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ হাদী-উজ-জামান হাদী। বক্তব্য রাখেন লোকজের উপদেষ্টা আনন্দ মোহন বিশ্বাস, হিউম্যানিটিওয়াচের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম সেলিম, উত্তরণের প্রকল্প সমন্বয়কারী আব্দুস সবুর, মুকুল রায়, প্রভাষক তাপস মল্লিক প্রমুখ। মেলায় বীজ বৈচিত্র্য, বীজের সংখ্যা ও প্রদর্শনীর কৌশলের উপর ভিত্তি করে বাসন্তি সরকার প্রথম, শ্যামলী মণ্ডল দ্বিতীয় এবং বীনা কবিরাজ তৃতীয় স্থান লাভ করেন। কৃষিতে বিশেষ অবদানের জন্য নারী কৃষক ভেজষ উদ্ভীদ চাষি নাজনীন আক্তার নীপা এবং গ্রামব্যাপী কেঁচো কম্পোস্ট ও সজিনা চাষে সাফল্যের জন্য ঝড়ভাঙ্গা কৃষক সংগঠনকে সম্মাননা দেয়া হয়।