শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বাংলাদেশে উচ্চ প্রযুক্তির প্রকৌশল যন্ত্রপাতি, ওষুধ এবং মেডিকেল যন্ত্রপাতি উৎপাদন শিল্পে জাতিসংঘের শিল্প উন্নয়ন সংস্থার (ইউনিডো) কারিগরি সহায়তা চেয়েছেন।
তিনি বলেন, 'ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্পখাতের বিকাশ ও পণ্য বৈচিত্রকরণের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ দ্রুত মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার লক্ষ্যে অগ্রসর হচ্ছে। এক্ষেত্রে ইউনিডো বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হতে পারে।'
দক্ষিণ কোরিয়া সফররত শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বুধবার জাতিসংঘের শিল্প উন্নয়ন সংস্থার (ইউনিডো) মহাপরিচালক লি ইয়াংয়ের সাথে বৈঠকে এ সহায়তা কামনা করেন।
উলসান শহরের লটি হোটেলে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে দক্ষিণ কোরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জুলফিকুর রহমান এবং কাউন্সিলর (শ্রম) জাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়াসহ বাংলাদেশ দূতাবাস ও ইউনিডোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে শিল্পমন্ত্রী বাংলাদেশি শিল্পপণ্যের গুণগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ইউনিডোর সহায়তায় বেটার ওয়ার্ক অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস প্রোগ্রাম শীর্ষক কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য সংস্থার মহাপরিচালককে ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, 'এর ফলে বাংলাদেশের মৎস্যসহ জলজ খাবারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) মান ব্যবস্থার সমপর্যায়ে পৌঁছেছে।' তিনি কান্ট্রি প্রোগ্রামের আওতায় বাংলাদেশে গুণগতমান অবকাঠামো গড়ে তুলতে ইউনিডোর সহায়তা বৃদ্ধির তাগিদ দেন।
বৈঠকে শিল্পমন্ত্রী বলেন, 'গুণগত শিল্পায়নের ধারা জোরদারের লক্ষ্যে সরকার জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬ প্রণয়ন করেছে। এ নীতির আলোকে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পখাতের উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি, পণ্য বৈচিত্রকরণ, মূল্য সংযোজন ও পরিবেশবান্ধব পণ্য উৎপাদনের উদ্যোগ বেগবান করা হচ্ছে।'
তিনি বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ, কৃষিভিত্তিক শিল্পের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও মানোন্নয়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাতের উন্নয়নে ইউনিডো সহযোগিতা করতে পাবে বলে উল্লেখ করেন।