সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী রাজধানীর বনশ্রী ও আফতাবনগরে ইস্টার্ন হাউজিংয়ের প্রকল্প এলাকায় কতটি জলাধার বা জলাশয় আছে তার তালিকা তৈরি করতে ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করেছে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়।
ওই কমিটির সদস্যরা হলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবান অ্যান্ড রিজিওনাল বিভাগের অধ্যাপক ড. সারোয়ার জাহান, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. নুরুল করিম, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পরিচালক (পরিকল্পনা) মো. সিরাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, তেজগাঁওয়ের সেটেলমেন্ট ক্যাম্প বদর আমিনের সার্ভেয়ার মো. আবুল হোসেন ও পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের সমন্বয়ক আতিক মোরশেদ। রিটকারী সংগঠনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ কমিটি গঠনের বিষয়টি গতকাল বুধবার সাংবাদিকদের জানান। তিনি বলেন, কমিটি গঠনের একটি চিঠি পেয়েছি।
ইস্টার্ন হাউজিংয়ে উল্লিখিত প্রকল্প এলাকায় কতটি জলাধার ও জলাভূমি ছিল তা নির্ণয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। গত ১০ মে এ আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত। হাইকোর্টের খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন তিনি। গত ২৬ মে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ ছয় সদস্যের কমিটি গঠনের জন্য পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে নির্দেশ দেয়। আপিল বিভাগের আদেশের অনুলিপি পাওয়ার পরই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে।