ঝিনাইদহে সেতু ভেঙে যাওয়ায় ২০ গ্রামের মানুষ দুর্ভোগে

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার নারিকেলবাড়িয়া-টিকেরি সড়কের টিকেরি বাজারের পাশে সানচাই নদীর উপর নির্মিত সেতু ভেঙে পড়ায় ২০ গ্রামের মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ২২ বছর আগে নির্মাণ করা সেতুটির হঠাত্ করে মাঝের অংশ ধসে পড়ে। এ সময় সেতুর উপর থাকা দু’জন পথচারী নিচে পড়ে আহত হন। বর্তমানে সেতুর পাশে বাঁশের সাঁকো তৈরি করে পায়ে হাঁটা মানুষগুলো নদী পারাপার হচ্ছেন। তবে সকল প্রকার যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ঝিনাইদহের নারিকেলবাড়িয়া-টিকারী সড়কের টিকারী বাজারের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে সানচাই নদী। এ নদীর উপর বাজারের কাছেই ১৯৯৪ সালে এলজিইডি সেতুটি নির্মাণ করে। যে সেতুর উপর দিয়ে চলাচল করে জিতড়, মিয়াকুন্ডু, কুশোবাড়িয়া, ধনঞ্জয়পুর, মুক্তারামপুর, মান্ডুন্ডি, নারিকেলবাড়িয়া, টিকারী, দহখোলা, দীঘিরপাড়, লক্ষ্মীপুর, মালঞ্চি, ব্যাংশ, বেরুইলসহ পার্শ্ববর্তী ২০ গ্রামের মানুষ। ঝিনাইদহ জেলা শহর হতে নারিকেলবাড়িয়া টিকারী হয়ে মাগুরা শহরে চলে গেছে রাস্তাটি। যে কারণে ভারি যানবাহনও চলাচল করে সেতুর উপর দিয়ে। কিন্তু মাস  দেড়েক আগে হঠাত্ সেতুর মাঝের অংশ ভেঙে পড়েছে।
 

স্থানীয়রা জানান, সাত থেকে আট মাস আগে সেতুটি মাঝের অংশ কিছুটা নিচু অনুভব করেন তারা। এ অবস্থা দেখে স্থানীয় এলজিইডি অফিসে খবর দেন। খবর পেয়ে তারা আসেন এবং একটি সাইনবোর্ড দিয়ে যান ভারি যানবাহন চলাচল না করার জন্য। সেভাবে চলে আসছিল। ভারি যানবাহন চলাচল করতো না। ভ্যান, নসিমন, করিমন, বাইসাইকেল চলাচল করতো। মাঝে মধ্যে দুই একটি গরুর গাড়ি চলাচল করতো। এ অবস্থায়  হঠাত্ করে সেতুটির মাঝের অংশ ধসে নিচে পড়ে যায়। এলজিইডি ঝিনাইদহের নির্বাহী প্রকৌশলী ইতোমধ্যে ভেঙে পড়া সেতুটি দেখে এসেছেন। এতো অল্পদিনে সেতুটি ভেঙে পড়ার কারণ হিসেবে জানা যায়, যে ধারণ ক্ষমতা নিয়ে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি লোড নিয়ে গাড়ি চলাচল করতো। তাই সেতুটি ভেঙে পড়েছে।