জিয়ানগরে টানা বৃষ্টি ও জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ঈদ আনন্দ ম্নান হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
উপকুলীয় এলাকার কঁচা ও বলেশ্বর নদের তীরবর্তী অধিকাংশ নিম্ন আয়ের মানুষ । গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও নদীতে অতিরিক্ত জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কর্মহীন হয়ে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ। অধিকাংশ এলাকায় বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হচ্ছে। এর প্রভাব পড়েছে ঈদ বাজারেও। অনেক এলাকার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। আবার গ্রামীণ সড়কগুলো জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে অনেক গ্রাম। নিম্ন আয়ের অনেক পরিবার এখনো ঈদের কেনাকাটা করতে পারেনি।
বালিপাড়া ইউনিয়নের খোলপটুয়া জাপানি ব্যারাক হাউসের বাসিন্দা দিন মজুর সালাম গাজী (৫০) বলেন, বৃষ্টি ও জোয়ারের পানির কারণে ঘর থেকে বের হতেই পারছি না। এলাকায় তেমন কোন কাজও পাওয়া যাচ্ছে না। আর কাজ না থাকায় কর্মহীন হয়ে পড়েছি। তাই ঈদের জন্য কোন কেনাকাটাও করতে পারিনি।
চাড়াখালী গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা জেলে মোসলেম আলী (৬০) বলেন, নদীতে তেমন একটা মাছের দেখা মিলছে না। তার উপরে আবার বৈরি আবহাওয়ায় নদীতেও যেতে পারছি না।
সালাম গাজী ও মোসলেম আলীর মতই বলেশ্বর ও কঁচা নদী পাড়ের বালিপাড়া, খোলপটুয়া, চন্ডিপুর, ঢেপসাবুনিয়া, সাউথখালী, কালাইয়া, ইন্দুরকানী, চাড়াখালী, সেউতিবাড়িয়া, খেজুরতলা, পত্তাশী, পারের চর, টগড়া, উমেদপুর গ্রামের সহস্রাধিক পরিবার ভোগান্তিতে পড়েছেন। অধিকাংশ পরিবারে ঈদের আনন্দ থাকবে না।
উপজেলা জাতীয় পার্টির (জেপি) আহ্বায়ক ও পত্তাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আসাদুল কবির স্বপন জানান, উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ টানা বৃষ্টি ও জোয়ারের পানি বৃদ্ধিতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। অনেক পরিবার ঈদ আনন্দ থেকেও বঞ্চিত হবে। জরুরি ভিত্তিতে ত্রাণ সহায়তা প্রয়োজন।