তরুণ জঙ্গি নেতা বুরহান ওয়ানির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠেছে কাশ্মির। তার মৃত্যুর প্রতিবাদে উত্তর কাশ্মিরের খাদিনয়ার থেকে দক্ষিণ কাশ্মিরের কুলগাম— সর্বত্রই নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে নিহত হয়েছে কমপক্ষে ১৭ বিক্ষোভকারী, আহত হয়েছে ১৪৪ জন।
এর মধ্যে ৯২ জনই নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ান। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। গতকাল যৌথ বাহিনীর হাতে বুরহানি নিহত হন। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তাল কাশ্মিরে গতকালই স্থগিত হয়েছিল অমরনাথ যাত্রা। রবিবারও তা চালু করা যায়নি। আটকে পড়া সব যাত্রীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যত দ্রুত সম্ভব যাত্রা ফের চালু করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন রাজ্য পুলিশের কর্তা এস এম সহায়। তবে এই আশ্বাসেও অবশ্য ঘোর অনিশ্চয়তায় রয়েছেন অমরনাথ যাত্রীরা। এ পরিস্থিতিতে কাশ্মীর উপত্যকায় আগামী কালের ইউজিসি-নেট পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।
পরিস্থিতি দেখে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ এক টুইটার বার্তায় বলেছেন, মৃত বুরহান ওয়ানি জীবিত বুরহান ওয়ানির চেয়ে অনেক বেশি মারাত্মক। ২০১০ সালে একদিন কারফিউ চলাকালে মোটরবাইকে যাওয়া তিনজনকে নামিয়ে বেধড়ক মারধর শুরু করে সিআরপিএফ আর পুলিশের জওয়ানরা। মার খেয়ে এক জন অজ্ঞান হয়ে যায়। বাকি দু’জন কোনও রকমে পালায়। ছুটতে ছুটতেই তাদের মধ্যে এক কিশোর বলে যায়, ‘বদলা নেব এর।’ ওই কিশোরই হল বুরহান। এনডিটিভি।