ভাণ্ডারিয়া মজিদা বেগম মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে নবীন বরণ

ভাণ্ডারিয়ার মানিক মিয়া পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে রবিবার মজিদা বেগম মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
 
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় পার্টির (জেপি) উপজেলা আহ্বায়ক, ভাণ্ডারিয়া সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও কলেজ ম্যানেজিং কমিটির অন্যতম সদস্য মো. মনিরুল হক মনি জোমাদ্দার।
 
এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় কলেজ অধ্যক্ষ মো. মোশাররফ হোসেন মামুনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির (জেপি) উপজেলা যুগ্ন আহ্বায়ক, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও কলেজ ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মো. গোলাম সরওয়ার জোমাদ্দার। এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন কলেজ ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মো. মাওলানা আলতাফ হোসেন, শিয়ালকাঠী মাধ্যমিক বিদ্যলয়ের প্রধান শিক্ষক কিরন চন্দ্র বসু, মো. হেমায়েত উদ্দিন রুস্তুম মিয়া, কলেজের উপাধ্যক্ষ মো. আবুজাফর, সহকারী অধ্যাপক মোসাম্মৎ খায়রুন্নাহার রুবী, মো. জাকির হোসেন, আবু হানিফ জোমাদ্দার, প্রভাষক আব্দুল হালিম হাওলাদার, মো. মুরাদ হোসেন জাহিদ, মো. নুরুল হক, মো. ওসমান গনি, মো. ওমর ফারুক ও দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী লামিয়া আক্তার প্রমুখ।
 
সভায় প্রধান অতিথি মো. মনিরুল মনি জোমাদ্দার নবাগতদের উদ্দ্যেশে বলেন, অস্বচ্ছল শিক্ষার্থী ও  নারী শিক্ষার কথা চিন্তা করে ১৯৮৯ সালে  সাবেক সফল যোগাযোগ মন্ত্রী এবং বর্তমান পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এ কলেজটি প্রতিষ্ঠিত করেন। তখন ১২৬ জন শিক্ষার্থী নিয়ে কলেজটি যাত্রা শুরু করে। আজ একাদশ শ্রেণিতেই ৩শ শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে। শুধু তাই নয়, এ কলেজ থেকে পাস করে অনেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে উচ্চ পদে চাকরি করছেন।
 
শিক্ষার্থীদের উদ্দ্যেশে তিনি বলেন,  এরশাদ সরকারের সময় মঞ্জু ভাইয়ের (আনোয়ার হোসেন মঞ্জু) মাধ্যমে ভাণ্ডারিয়ায় একটি কলেজ ও একটি বালিকা বিদ্যালয় সরকারি করণের দাবি করায় তার (এরশাদের) স্ত্রী রওশন এরশাদ ভাণ্ডারিয়ায় এক সভায় সে দাবি পূরণ করে ভাণ্ডারিয়া কলেজ ও বন্দর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে সরকারি করণের ঘোষণা দেন। যা আজ ভাণ্ডারিয়া সরকারি কলেজ ও বন্দর সরকারি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় নামে পরিচিত।