সহিংসতা থামাতে দ. সুদানের রাজনৈতিক দলগুলোকে হুঁশিয়ারি

সহিংসতা বন্ধে দক্ষিণ সুদানের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। এছাড়া সংঘর্ষ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে সেদিকে দৃষ্টি দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
 
এদিকে শান্তিরক্ষা মিশনের কাছে হামলায় মিশনের কয়েকজন নিহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ। সেইসাথে দেশটিতে আরো অধিক সংখ্যক শান্তিরক্ষা বাহিনী পাঠানোর কথা জানিয়েছে তারা।
 
গত শুক্রবার দেশটির সরকার প্রেসিডেন্ট সালভা কির এবং প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট রিয়েক ম্যাকারের অনুগত বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। রাজধানী জুবার রাস্তায় দুপক্ষের মধ্যে গুলির ঘটনায় সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। সহিংসতা ছড়িয়ে পড়লে দুই শতাধিক মানুষ নিহত হয়। নিহতদের মধ্যে শান্তিরক্ষা বাহিনীর একজন চীনাসহ আরো অনেক সদস্য রয়েছেন। তাছাড়া অসংখ্য বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিরাপত্তা পরিষদ স্তম্ভিত এবং ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।
 
২০১১ সালে দেশটি স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ লেগেই রয়েছে। গৃহযুদ্ধ নিরসনে দু’দলের মধ্যে গত বছর একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এতে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং রাজধানীতে কোনো ধরনের সৈন্য প্রেরণ না করার কথা উল্লেখ করা হয়।
 
ওদিকে রবিবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, জুবার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপক নিন্দা জানাচ্ছে। দপ্তরের মুখপাত্র জন কিরবি দেশটিতে তাদের দূতাবাস থেকে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছাড়া বাকিদের স্থান ত্যাগ করার নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে শুক্রবার কির এবং ম্যাকার প্রেসিডেন্ট ভবনে সাক্ষাত করে পরিস্থিতি শান্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন। এ ঘোষণায় শনিবার পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত থাকলেও পরেরদিন ম্যাকার নিয়ন্ত্রণাধীন সামরিক ব্যারাকে দু’পক্ষে ব্যাপক বন্দুকযুদ্ধ হয়।
 
জুবায় জাতিসংঘের মুখপাত্র শান্তাল পারসুয়াদ জানিয়েছেন, এ সহিংসতায় শত শত মানুষ গৃহহীন হয়েছে। আর এ সহিংস পরিস্থিতির দায়-দায়িত্ব দুই সুদানি নেতাকেই নিতে হবে। বিবিসি