সম্পদের তথ্য চেয়ে আরডিএ’র সাবেক ডিজি মতিনকে দুদকের চিঠি

বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (আরডিএ) সাবেক ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক এম এ মতিন ও তার স্ত্রী সাবিনা আফরোজের সম্পদের হিসাব চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার দুদকের সমন্বিত বগুড়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। আরডিএ মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও প্রকল্পে অনিয়মসহ বিভিন্ন অভিযোগের প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে দুদক। চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি থেকে অবসর ছুটিতে যান এম এ মতিন।
 
দুদকের একটি সূত্র জানায়, অবসরকালীন ছুটিতে যাওয়ার আগেই মতিনের বিরুদ্ধে দুদক নানা দুর্নীতির অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করে। এর মধ্যে পল্লী জনপদ  প্রকল্পে ৪২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এই প্রকল্পের আওতায়  রাজশাহী বিভাগের জন্য বগুড়ায়, খুলনা  বিভাগে রূপসায়, চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজারে, রংপুরের গংঙ্গাচড়ায়, ঢাকার বিভাগের  গোপালগঞ্জে এবং বরিশালে বিভাগে বরিশালে জমি অধিগ্রহণ করা কথা। অথচ গোপালগঞ্জ ছাড়া কোথাও জমি অধিগ্রহণ করা হয়নি। কম দামের জমি বেশি মূল্য দেখিয়ে প্রকল্পের টাকা লোপাট করা হয়েছে। আরডি এর সাবেক মহাপরিচালক  এবং  প্রকল্পের পরিচালক মাহমুদ হোসেন যোগসাজশ করে এই টাকা লোপাট করেছেন।

আরো পড়ুন: বিএনপি বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে বিলীন হয়ে যাবে : তোফায়েল

দুদক সূত্র জানায়, প্রাথমিক তদন্তে দুদক তথ্য পেয়েছে আরডি এর সাবেক  ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক নামে বেনামে বিভিন্ন স্থানে প্রায় সাড়ে ৩০০ বিঘা কৃষি জমি, বগুড়ায় একটি হিমাগার ও সিমেন্ট কারখানা, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নামে বেনামে পাঁচটি ফ্লাট কিনেছেন। স্ত্রী সাবিনা আফরোজের নামেও ঢাকায় একাধিক ফ্ল্যাট-প্লট রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে মতিনের বিরুদ্ধে অভিযোগের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও প্রকল্পে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এই কারণে তাকে সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে বলা হয়েছে। 

ইত্তেফাক/অনি